• মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০৯ অপরাহ্ন
Headline
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে কালবৈশাখি ঝড়ে লন্ডভন্ড বিদ্যুৎ ব্যবস্থা অর্ধশতাধিক ঘর আংশিক বিধ্বস্ত ঐতিহাসিক যাত্রা রূপপুরে জ্বালানি লোডিংয়ের বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় ভিসায় শিগগির ইতিবাচক পরিবর্তনের আশা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অতিবৃষ্টিতে তলিয়ে যাচ্ছে কৃষকের স্বপ্নের সোনালী ধান জাতীয় নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অভিযোগ পায়নি ইইউ নির্বাচন মিশন আদালতে নেওয়ার পথে প্রিজনভ্যান দুর্ঘটনায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলক আহত হজযাত্রীদের সেবায় মক্কায় বিশেষ উদ্যোগ ‘মিসেস ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইন্টারন্যাশনাল’ জিতলেন তমা রশিদ যশোর শিক্ষাবোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষার ১১ কেন্দ্র স্থগিত কোস্ট গার্ডকে আধুনিক করতে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কাবা দেখে যে দোয়া পড়বেন

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৭ Time View
Update : শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬

মসজিদুল হারামে প্রবেশ করার পর যখন কাবা চোখে পড়বে, তখন এ দোয়াটি পড়ুন:

اللهمَّ زِدْ هذا البيتَ تشريفًا وتعظيمًا وتكريمًا ومهابَةً وزِدْ مِن شرَفِهِ وعِظَمِهِ مِمَنْ حجَّهُ أو اعتَمرَهُ تشريفًا وتكريمًا وتعظيمًا ومهابَةً وبِرًا

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা যিদ হাযাল বাইতা তাশরীফান ওয়া তা’যীমান ওয়া তাকরীমান ওয়া মাহাবাতান ওয়া যিদ মিন শারাফিহি ওয়া ই’যামিহি মিম্মান হাজ্জাহূ আও ই’তামারাহূ তাশরীফান ওয়া তাকরীমান ওয়া তা’যীমান ওয়া মাহাবাতান ওয়া বিররান।

অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি এই পবিত্র ঘরকে আরও বেশি সম্মান, মর্যাদা, মহিমা ও ভয়-ভক্তিতে পূর্ণ করুন। আর যারা হজ বা উমরা করে তাদের মধ্য থেকেও এই ঘরের সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধি করুন — তাদেরকে সম্মান, মর্যাদা, মহিমা, ভয়-ভক্তি ও পূণ্য দ্বারা অধিকতর সম্মানিত করুন।

তাবেঈ মাকহুল (রহ.) বর্ণনা করেছেন, আল্লাহর রাসুল (সা.) কাবা দেখে এ দোয়াটি পড়তেন। (ইবনে হাজার, তালখিসুল হাবীর)

কাবা তাওয়াফের সময় যে দোয়া পড়বেন

কাবা তাওয়াফের সময় যে কোনো দোয়া পড়া যায়। তাওয়াফের এমন কোনো নির্দিষ্ট দোয়া নেই যা না পড়লে তাওয়াফ শুদ্ধ হবে না। হাদিসে কয়েকটি দোয়া পাওয়া যায় যা রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাওয়াফের সময় পড়েছেন।

তাওয়াফ শুরুর সময় ও প্রতি চক্করের শুরুতে হাজরে আসওয়াদের সামনে তাকবির (অর্থাৎ আল্লাহু আকবার) বলা সুন্নত। সহিহ বুখারিতে এসেছে—নবিজি (সা.) কাবা ঘরের চারপাশে উটের পিঠে তাওয়াফ করেছিলেন এবং যখনই তিনি হাজরে আসওয়াদ বরাবর পৌঁছতেন, তখন তার হাতে থাকা একটি লাঠি দিয়ে সেদিকে ইশারা করতেন এবং ‘আল্লাহু আকবার’ বলতেন। (সহিহ বুখারি)

রুকনে ইয়ামানি থেকে হাজরে আসওয়াদের দিকে যাওয়ার সময় আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোরআনে উল্লেখিত এ দোয়াটি পড়েছেন বলে বর্ণিত রয়েছে,

رَبَّنَاۤ اٰتِنَا فِی الدُّنۡیَا حَسَنَۃً وَّ فِی الۡاٰخِرَۃِ حَسَنَۃً وَّ قِنَا عَذَابَ النَّارِ

উচ্চারণ: ‍রাব্বানা আতিনা ফিদ-দুনিয়া হাসানাহ ওয়া ফিল-আখিরাতি হাসানাহ ওয়া কিনা আযাবান-নার

অর্থ: হে আমাদের রব, আমাদের দুনিয়াতে কল্যাণ দিন, আখেরাতেও কল্যাণ দিন এবং আগুনের আযাব থেকে রক্ষা করুন। (সুরা বাকারা: ২০১) (সুনানে আবু দাউদ)

এ ছাড়া তাওয়াফের সময় যে কোনো জিকির, কোরআন-হাদিসে বর্ণিত বা উত্তম অর্থবোধক দোয়া পাঠ করা করা যেতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category