আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে মৌলভীবাজার জেলা শ্রমিক দলের আয়োজনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে নাসের রহমান বলেন, “বাংলাদেশ একটি জনবহুল দেশ এবং এখানে শ্রমজীবী মানুষের সংখ্যা বিশাল। সীমাবদ্ধতার মাঝেও আমাদের তাদের বিভিন্ন চাহিদা পূরণ করতে হবে। বর্তমান সরকারের বয়স মাত্র আড়াই মাস; এই অল্প সময়ে সব দাবি পূরণ সম্ভব না হলেও আমরা পর্যায়ক্রমে শ্রমিকদের সকল ন্যায্য দাবি দাওয়া পূরণে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করবো।
শুক্রবার (১লা মে) আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে বিকেলে মৌলভীবাজার জেলা শ্রমিক দল আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
পরিবহন খাতে বীমার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, “বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশেই, এমনকি নেপাল ও শ্রীলঙ্কার মতো দেশেও বীমা ছাড়া কোনো যানবাহন রাস্তায় নামানো সম্ভব নয়। অথচ বাংলাদেশে এটি চরমভাবে উপেক্ষিত। ভারতে যেখানে বীমা খাতের প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশ, সেখানে বাংলাদেশে তা মাত্র ০.১৪ শতাংশ। ৫-৬ লাখ টাকা দিয়ে সিএনজি কিনলেও মালিকরা বীমা করতে অনীহা প্রকাশ করেন। অথচ বীমা থাকলে গাড়ি চুরি বা দুর্ঘটনায় মালিক ও শ্রমিক উভয়েই আর্থিক নিরাপত্তা পেতেন।”
মৌলভীবাজার শহরের শ্রমিকদের সমস্যার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন:- শহরে পরিত্যক্ত জায়গা পাওয়া গেলে শ্রমিকদের জন্য নির্দিষ্ট কার্যালয় বা অফিসের ব্যবস্থা করা হবে। সিএনজি ও টমটমের আধিক্য নিরসনে সুশৃঙ্খল ব্যবস্থার ওপর জোর দেন। “দীর্ঘদিন পর শহরে চলাচল টমটমের ১০ টাকা ভাড়া বৃদ্দির বিষয়টি শ্রমিকদের দাবীর মুখে ভেবে দেখার আশ্বাস প্রদান করেন।
জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রশিকের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের প্রশাসক মিজানুর রহমান মিজান, জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য আব্দুল ওয়ালী সিদ্দিকী, আলহাজ মো. আব্দুল মুকিত, মো. ফখরুল ইসলাম, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মুজিবুর রহমান মজনু এবং পৌর বিএনপির সভাপতি মো. অলিউর রহমান। এছাড়াও বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও শ্রমিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।