প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভিপ্রায়ে ১০ বছর পর সোহাগী জাহান তনু হত্যার জট খুলতে শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
আইনমন্ত্রী বলেন, এবারের ঈদের দিন সকালে তাঁর মুঠোফোনে প্রথম আলোর একটি প্রতিবেদন পাঠিয়ে তনু হত্যা মামলার অগ্রগতির বিষয়ে জানতে চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।
আজ শনিবার রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত এক গবেষণার ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে একজন আইনমন্ত্রীকে অনুরোধ জানান, তনু হত্যার বিচার যেন হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় আইনমন্ত্রী বলেন, গত ঈদের দিন সকালে তাঁর মুঠোফোনে প্রধানমন্ত্রী একটি খুদে বার্তা পাঠান, যেখানে প্রথম আলোর একটি প্রতিবেদনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মামলার হালনাগাদ তথ্য জানাতে বলা হয়।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘ঈদের পর প্রথম অফিস খোলার দিনই এ বিষয়ে বিস্তারিত আপডেট নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বসে আলোচনা করি।’
তনু হত্যা মামলার প্রসঙ্গে মো. আসাদুজ্জামান আরও বলেন, ‘দীর্ঘ ১০ বছর পর এ মামলার জট খুলতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করতে গিয়ে আর বাসায় ফেরেননি তনু। পরে খোঁজাখুঁজি করে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের অদূরে ঝোপের মধ্যে তনুর লাশ পাওয়া যায়।
পরদিন তনুর বাবা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অফিস সহায়ক (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত) ইয়ার হোসেনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কুমিল্লার কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।






