• সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০৫:১১ অপরাহ্ন
Headline
নাটোরে ট্রাক চাপায় মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যু গণতন্ত্রের পক্ষে ভূমিকা রাখবেন সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যরা: মির্জা ফখরুল সংসদের প্রথম অধিবেশন ইতিহাসের সবচেয়ে সফল অধিবেশন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে প্রকল্প অনুমোদন সহজের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট র‍্যাব-৯ এর অভিযানে কুলাউড়ায় মাদকসহ ৩ জন গ্রেফতার হাওড়ের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সাড়ে ৭ হাজার টাকা করে দেয়া হবে : কৃষিমন্ত্রী কাঁঠালিয়ায় সপ্তম শ্রেণীর শিক্ষার্থী নিখোঁজ বিভিন্ন স্থানে পদবঞ্চিতদের বিক্ষোভ  অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ডের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট

আটকে থাকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ শিগগির, মানতে হতে পারে যে শর্ত

বিশেষ প্রতিবেদক ঢাকা / ৫ Time View
Update : রবিবার, ৩ মে, ২০২৬

ডিসি সম্মেলনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের জবাব দেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন, ঢাকা, ৩ মে ২০২৬ছবি: বর্তমান বাংলাদেশ

চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর আটকে থাকা ১৪ হাজারের বেশি প্রার্থীকে অতি শিগগির সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। কাউকেই বাদ দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি। এ ক্ষেত্রে যেসব শর্ত দেওয়া হতে পারে তারও কিছু ইঙ্গিত দেন মন্ত্রী।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের প্রথম দিনে আজ রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন উপস্থিত ছিলেন।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হয়। এতে নির্বাচিত হন ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থী। তবে নিয়োগ না হওয়ায় তাঁরা আন্দোলন শুরু করেন।

কী কী শর্ত হতে পারে সে বিষয়ে সাংবাদিকদের করা প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যিনি শিক্ষকতা করবেন, সেই শিক্ষকতা করার জন্য তাঁদের যোগ্যতা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, সেখানে কোনো ঘাটতি আছে কি না সেটা দেখা হবে। উদাহরণ হিসেবে মন্ত্রী বলেন, ধরুন তাঁরা যোগদানের পর শিক্ষকদের প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (পিটিআই) পাঠিয়ে দেওয়া হবে। সেখানে তাঁরা প্রশিক্ষণ নেবেন, সেই জায়গায় যদি অকৃতকার্য হন তাহলে তারা শিক্ষক হতে পারবেন না। এ ছাড়া সরকারি বিধি-বিধান অনুযায়ী দুই বছর যদি সাফল্যের জন্য চাকরি করতে পারেন, তাহলে তাদের চাকরি স্থায়ী করা হবে। সবকিছুই দেশের শিক্ষার ভালোর জন্য করা হবে। খারাপ কোনো উদ্দেশ্যে নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category