• সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০৭:১৭ অপরাহ্ন
Headline
কালবৈশাখীর তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড ৬৮ হাজার একর লবণ চাষ, দুশ্চিন্তায় উপকূলের চাষিরা জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে বিএনপির সংরক্ষিত নারী এমপিদের শ্রদ্ধা বাগাতিপাড়ায় খাল পুনঃখনন উদ্বোধন: কর্মসংস্থান ও পানির সংকট নিরসনের আশা শ্রীমঙ্গলে এমআর টিকাদানে অনিয়ম: সমন্বয়হীনতায় ঝুঁকিতে শিশুস্বাস্থ্য নাটোরে ট্রাক চাপায় মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যু গণতন্ত্রের পক্ষে ভূমিকা রাখবেন সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যরা: মির্জা ফখরুল সংসদের প্রথম অধিবেশন ইতিহাসের সবচেয়ে সফল অধিবেশন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে প্রকল্প অনুমোদন সহজের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট র‍্যাব-৯ এর অভিযানে কুলাউড়ায় মাদকসহ ৩ জন গ্রেফতার

মে দিবস চা শ্রমিকদের ঘামে উৎপাদন চললেও ছেড়ে যায়নি দারিদ্রতা

মনজু বিজয় চৌধুরী মৌলভীবাজার প্রতিনিধি / ৮২ Time View
Update : শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬

প্রকৃতির সবুজ চাদরে মোড়ানো চা বাগান শুধু ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্বাক্ষী নয়। প্রায় দুই‘শ বছর ধরে সেখানে বসবাসরত চা শ্রমিকদের ঘামে শ্রমে প্রতি বছর চা উৎপাদনের লক্ষ্য মাত্রা ছাড়িয়ে গেলেও তাদের ছেড়ে যায়নি দারিদ্রতা। প্রতি বছর মে দিবস আসে আবার চলে যায়। কিন্তু তাদের অধিকার,শিক্ষা,স্বাস্থ্য বাসস্থান ও নিজস্ব ভুমি থেকে শুরু করে জীবন যাত্রার কোন বদল আজও হয়নি। চা শ্রমিকরা আজও তাদের ন্যায্য দাবী দাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
জানা যায়, চা বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ও রপ্তানি পণ্য। প্রতিদিন জীবনের ঝুকি নিয়ে বাগানে যারা কাজ করে তাদের অধিকাংশই নারী শ্রমিক। কিন্তু তাদের নিজস্ব ভুমি থেকে শুরু করে জীবন যাত্রার কোন বদল আজও হয়নি। বাংলাদেশে ১৭২টি চা বাগান ছোট ও বড় মিলে রয়েছে। এর মধ্যে মৌলভীবাজার জেলার ৯৭টি চা বাগানে কর্মরত লক্ষাধিক চা শ্রমিক বছরের পর বছর ধরে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও এখনও তাদেরকে বেতন বৈষম্যসহ নানা বঞ্চনার শিকার হতে হচ্ছে। কিন্তু তাদের নিজস্ব ভূমি থেকে শুরু করে শিক্ষা-স্বাস্থ্যসহ মৌলিক অধিকার বাস্তবায়িত হয়নি আজো। এর মধ্যে প্রায় পঞ্চাশ ভাগের উপরে নারী চা শ্রমিক রয়েছেন। চা বাগানের অভ্যন্তরে ও বাইরে হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে জীবিকা নির্বাহ করে।
প্রেমনগর চা বাগানের শ্রমিক গোপাল রবিদাস জানান, মে দিবস আসে,মে দিবস চলে যায়। কিন্তু আমাদের কোনো উন্নতি নাই। আমরা ১২০ টাকা থেকে ১৮৭ টাকা পর্যন্ত এখনো রয়েছে। আমাদের ঘর-বাড়ি,চিকিৎসা ব্যবস্থা সবকিছু অবনতি। কিন্তু চা শ্রমিকের জীবনমানের কোনো পরিবর্তন নাই।
চা বাগানের শ্রমিক নয়নমনি রবিদাস বলেন, প্রায় ২০০ বছর যাবৎ আমরা এই বাংলাদেশে বসবাস করার পরও আজ পর্যন্ত আমরা আমাদের মূলত অধিকারগুলো পাইনি।
বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সহ সভাপতি পংকজ কন্দ বলেন,বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিঠির সহ সভাপতি পঙ্গজ কান্তা বলেন, চা বাগানে যারা আবদ্ধ হয়ে আছে, যুগ-যুগান্তব্যাপী তারা সেখানেই পড়ে আছে। আমরা প্রত্যাশা করছি তাদের প্রতিনিধি হিসাবে আমাদের দাবি, এই মে দিবসে দাবি, মে দিবসেই চেতনা হোক।
বিভাগীয় শ্রম অধিদপ্তরের (শ্রীমঙ্গলস্থ) উপ-পরিচালক মহব্বত হোসাইন জানান, বর্তমানে চা শিল্পের শ্রমিকরা দৈনিক ১৮৭ টাকা মজুরি পাচ্ছেন। তাদের জীবনমান উন্নয়নে আমরা সকলে সর্বদা কাজ করছি এবং বর্তমান সরকারও তাদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category