• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন
Headline
প্রাথমিকে ৯৩, মাধ্যমিকের ৫৭ শতাংশ বই ছাপা শেষ, নভেম্বরে শতভাগ সরবরাহের লক্ষ্য ৪ বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ কৃষক কার্ড দেবে সরকার ইউপি নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনে প্রার্থিতা বাতিল, সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী ডিএফওর বিরুদ্ধে অর্থ ছাড় না দেওয়ার অভিযোগ, পাঁচ মাস ধরে ভাতা বন্ধ লাউয়াছড়ার কর্মীদের তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার অস্তিত্ব হারানোর পথে আড়িয়াল খাঁ, ময়নাকাটা বিশ্ববাজারে আবার কমল জ্বালানি তেলের দাম বিদায়ের ক্ষণ গুনছেন নেতানিয়াহু নওগাঁর নিয়ামতপুরে আরডিআরএস বাংলাদেশের উদ্যোগে সাড়ে ৭ হাজার গাছের চারা বিতরণ

টানা বৃষ্টিতে কমলগঞ্জে নাকাল জনজীবন, রেকর্ড গড়ল মৌলভীবাজার

মনজু বিজয় চৌধুরী, মৌলভীবাজার / ১২০ Time View
Update : শনিবার, ২ মে, ২০২৬

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল উপজেলায় টানা ভারী বৃষ্টিতে জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। শুক্রবার রাত থেকে শনিবার দিনভর থেমে থেমে ভারী বর্ষণের ফলে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা স্থবির হয়ে পড়ে। এ সময় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতও রেকর্ড করা হয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়।
শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে শনিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১৬০.৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান। তিনি জানান, আগামী কয়েকদিনও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।
অবিরাম বৃষ্টির কারণে শনিবার সকালে কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল সড়কের লাউয়াছড়া এলাকায় টিলা থেকে গাছ ভেঙে সড়কের ওপর পড়ে যায়। এতে প্রায় তিন ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। পরে বন বিভাগ ও সড়ক বিভাগের কর্মীরা গাছ অপসারণ করলে যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়।
টানা বর্ষণে উপজেলার বিভিন্ন বাজারে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ড্রেনেজ ব্যবস্থার দুর্বলতায় অনেক মার্কেট ও নিম্নাঞ্চল পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা নেমে এসেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, বৃষ্টির কারণে বাজারে ক্রেতা উপস্থিতি একেবারেই কমে গেছে।
অন্যদিকে, পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টির প্রভাবে উপজেলার বিভিন্ন ছড়া ও জলাধারের পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে পতনঊষার, শমসেরনগর, আদমপুর ও কমলগঞ্জ সদর ইউনিয়নের নিচু এলাকার বোরো ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার রায় জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ৫ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৭০ হেক্টর জমির ধান পুরোপুরি পানিতে ডুবে গেছে এবং আরও ৩৫০ হেক্টর আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এদিকে, টানা বর্ষণের ফলে জেলার বিভিন্ন স্থানে টিলা ধসের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়রা বলছেন, দ্রুত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত করা না হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। বর্তমানে সবাই চরম ভোগান্তির মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category