• বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন
Headline
জাপান সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ জাতীয় সংসদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব, এখনই নাম দিচ্ছে না বিরোধী দল কেউ পাঁচ মিনিটে গোল দিয়ে ভেবেছে আমরাই সেরা খেলোয়াড়: সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হটস্পট ৩০ উপজেলায় টিকায় কমছে হাম সংক্রমণ ফ্যামিলি কার্ডে ৩৭ হাজার ৮১৪ পরিবারে ‘নারী প্রধান’ টাকা পেয়েছেন : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করতে সংসদে প্রস্তাব উত্থাপনের আহ্বান রুমিন ফারহানার মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রি করি না, ধারণ করি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সয়াবিন তেলের দাম বাড়ল বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী, সংরক্ষিত নারী আসনে ৪৯ জন গেজেট বৃহস্পতিবার হাওরাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

টানা বৃষ্টিতে মৌলভীবাজারে আকস্মিক বন্যা, উদ্ধার ও প্রস্তুতিতে জেলা প্রশাসন

মনজু বিজয় চৌধুরী,মৌলভীবাজার / ৩২ Time View
Update : বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬

মৌলভীবাজারে টানা ভারী বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় আকস্মিক বন্যা ও জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন ব্যাপক তৎপরতা শুরু করেছে এবং জেলার ১৯৫টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) জেলা প্রশাসন কর্তৃক প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধান নদ-নদীর পানি এখনো বিপদসীমার নিচে থাকলেও নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।
বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে জেলার ৭টি উপজেলার জন্য ১০০ মেট্রিক টন জিআর চাল এবং ৩ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বর্তমানে সরকারি গুদামে ৩২১ মেট্রিক টন চাল এবং ৬ লক্ষাধিক টাকা মজুত রয়েছে। জরুরি পরিস্থিতি সামাল দিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে আরও ৫০০০ মেট্রিক টন চাল ও ৩০ লক্ষ টাকার চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে।
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আখাইলকুড়া ইউনিয়নের মিরপুর এলাকায় নদী ভাঙন দেখা দেওয়ায় জেলা প্রশাসক এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছে বর্তমানে ১৮,২০৫টি জিও ব্যাগ মজুত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
বন্যার আশঙ্কায় দ্রুত বোরো ধান কাটার কাজ চলছে। জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, জেলার হাওড় অঞ্চলগুলোতে ইতিমধ্যে ৮২ শতাংশ এবং নন-হাওড় এলাকায় ২২ শতাংশ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে। গড়ে পুরো জেলায় এখন পর্যন্ত ৪৮ শতাংশ ধান ঘরে তুলেছেন কৃষকরা।
জনসাধারণের জানমাল রক্ষায় পুলিশসহ সকল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সমন্বয় করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে উদ্ধারকাজে সহায়তার জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহযোগিতা গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নিজ নিজ এলাকায় নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের তাৎক্ষণিক সহায়তা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে, তারা সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে।
মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল বলেন, “টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় জেলা প্রশাসন সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category