আসন্ন ঈদুল আজহা সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ট্রেনের অগ্রিম ও ফেরত যাত্রার টিকিট বিক্রির সূচি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এবারও শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রির সিদ্ধান্তের পাশাপাশি বিশেষ ট্রেন ও বাড়তি ব্যবস্থার কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
রেলওয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ১৩ মে থেকে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে। একজন যাত্রী সর্বোচ্চ একবারের জন্য ৪টি টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন। তবে ঈদ উপলক্ষে কেনা টিকিট ফেরত (রিফান্ড) নেওয়া হবে না।
কোরবানির পশু পরিবহনের লক্ষ্যে ২২ ও ২৩ মে ঢাকা-জামালপুর পরিচালিত হবে দুইটি ক্যাটল স্পেশাল ট্রেন।
প্রথম দিন অর্থাৎ ১৩ মে বিক্রি হবে ২৩ তারিখের টিকেট, ১৪ তারিখে বিক্রি হবে ২৪ মে অগ্রিম টিকিট, ১৫ মে পাওয়া যাবে ২৫ তারিখের টিকিট, ১৬ মে পাওয়া যাবে ২৬ তারিখের অগ্রিম টিকিট, ১৭ মে বিক্রি হবে ২৭ মে‘র টিকিট।
এছাড়া চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে ২৮, ২৯ ও ৩০ মে তারিখের টিকিট বিক্রির বিশেষ ব্যবস্থা করা হবে।
ফেরত যাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু হবে ২১ মে, ওই দিন বিক্রি হবে ৩১ মে এর টিকিট, এছাড়া ২২ বিক্রি হবে পহেলা জুনের টিকিট, ২৩ মে বিক্রি হবে ২ জুনের ফিরতি টিকিট, ২৪ মে বিক্রি হবে ৩ জুনের ফিরতি টিকিট, ২৫ মে পাওয়া যাবে ৪ জুনের ফিরতি টিকিট।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, টিকিট কালোবাজারি রোধ এবং যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে বিশেষ কিছু নিয়ম কার্যকর থাকবে:
অনলাইনে কেনাকাটা: অগ্রিম ও ফেরত যাত্রার সব টিকিট কেবল অনলাইনে রেলওয়ের পোর্টাল বা অ্যাপের মাধ্যমে পাওয়া যাবে।
টিকিট সীমা: একজন যাত্রী একবারই টিকিট কেনার সুযোগ পাবেন এবং সর্বোচ্চ ৪টি টিকিট নিতে পারবেন।
স্ট্যান্ডিং টিকিট: যাত্রার দিন স্ট্যান্ডিং বা আসনবিহীন টিকিট স্টেশন কাউন্টার থেকে সংগ্রহ করা যাবে। এটি মোট আসনের (উচ্চ শ্রেণি ব্যতীত) ২৫ শতাংশ পর্যন্ত দেওয়া হবে।
রিফান্ড: ঈদুল ফিতর উপলক্ষে কেনা টিকিট ফেরত বা টাকা রিফান্ড করা যাবে না।