বিজয়ের চেন্নাইয়ের বাসভবনে এখন উৎসবের আমেজ। পরিবারের সদস্যদের নাচ-গান, উচ্ছ্বাস সবকিছু মিলিয়ে যেন বিজয়ের দীর্ঘ দিনের স্বপ্নপূরণের মুহূর্ত। এমনকি তার জনপ্রিয় গান ‘হুইসেল পোডু’-তেও মেতে উঠতে দেখা যায় তাদের।
বিজয়ের মা শোভা চন্দ্রশেখর আনন্দ লুকাতে পারেননি। তিনি বলেন, আমি খুবই খুশি। পাশে দাঁড়িয়ে বাবা এস. এ. চন্দ্রশেখর জানান, তিনি শুধু মা নন, বিজয়ের প্রথম ভক্তও। গত ৩০ বছর ধরে বিজয়ের মনে ছিল একটি স্বপ্ন তামিলনাড়ুর জন্য কিছু করার। ধীরে ধীরে সেই স্বপ্ন আজ বাস্তবে রূপ নিচ্ছে। একজন মানুষ শুধু শিল্পী হলেই হয় না, সমাজের জন্য ভাবনাও থাকতে হয়। বিজয় সেই দায়িত্বটা নিয়েছে।
তিনি আরও জানান, গত দুই বছরে বিজয়ের আত্মবিশ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। কোনও জোট ছাড়াই নিজের শক্তিতে দাঁড়িয়ে লড়াই করার সিদ্ধান্তকে তিনি সাহসী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। অভিনেতার বাবা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, এটা শুধু জয় নয় এটা ঐতিহাসিক বিজয়।
অভিনেতার পরিবার থেকে বলা হয়, বিজয়ের জনপ্রিয়তার মূল কারণ তার মানুষের সঙ্গে গড়ে তোলা সম্পর্ক। মহিলারা তাকে নিজের ছেলের মতো দেখেন, কেউ ভাই মনে করেন, আবার বয়স্করা নাতির মতো ভালোবাসেন। এভাবেই মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন থালাপতি।
গত ২৩ এপ্রিল এক দফায় হওয়া নির্বাচনের ফলাফল এখন প্রায় স্পষ্ট। ১১৮ সিটের ভেতর এরই মধ্যে ১০৯টি সিটে এগিয়ে রয়েছে টিভিকে। সবকিছু ঠিক থাকলে, তামিলনাড়ু খুব শিগগিরই পেতে পারে তাদের নতুন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়কে। একজন তারকা থেকে নেতা এই যাত্রায় মানুষের ভালোবাসাই হয়ে উঠেছে তার সবচেয়ে বড় শক্তি।







