সময়ের সাথে রাজনীতিতে অনেক নতুন মুখ আসে এবং হারিয়েও যায়। কিন্তু কিছু নাম ইতিহাসের পাতায় এবং মানুষের হৃদয়ে খোদাই করা থাকে তাদের সাহস, ত্যাগ আর আপসহীন সংগ্রামের কারণে।
ঝালকাঠি-১ আসনের রাজনীতিতে কর্মী বান্ধব নেতা হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা। বর্তমানে তিনি নিউইয়র্ক মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করলেও, তার রাজনীতির শিকড় প্রোথিত বাংলার নিভৃত পল্লী থেকে রাজপথের উত্তপ্ত মিছিলে।
রাজপথের যোদ্ধা,
রাজনীতি অনেকের কাছে সুযোগের মাধ্যম হলেও হাবিবুর রহমান সেলিম রেজার কাছে এটি ত্যাগের এক সুদীর্ঘ ইতিহাস। যখন অনেকে সুযোগসন্ধানী রাজনীতিতে ব্যস্ত, তখন তিনি রাজপথের আগুনে পুড়ে নিজেকে তৈরি করেছেন এক ইস্পাতকঠিন নেতৃত্বে। তার সাহসিকতা আর ‘কিলিং ইমেজ’ সাধারণ মানুষের কাছে তেমনি ভরসার প্রতীক। প্রতিকূল সময়েও লড়াই না থামানোর যে মানসিকতা তিনি দেখিয়েছেন, তা আজ তাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
বিকল্পহীন নেতৃত্বরাজাপুর-কাঁঠালিয়ার রাজনীতির সমীকরণে আজ এটি স্পষ্ট যে, ত্যাগ আর সংগ্রামের ইতিহাস কখনো চাপা থাকে না। যারা রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে অনুপস্থিত থেকে আজ সামনে আসতে চায়, তারা হয়তো সাময়িক সুবিধা নিতে পারে, কিন্তু গণমানুষের নেতা হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে পারে না। রাজপথের অগ্নিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ সেলিম রেজাকে কোনো শক্তিই উপেক্ষা করতে পারবে না।প্রবাসে থেকেও শেকড়ের টানে সুদূর যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করলেও হাবিবুর রহমান সেলিম রেজার মন পড়ে থাকে রাজাপুর-কাঁঠালিয়ার মাটি ও মানুষের কাছে। নিউইয়র্ক মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি হিসেবে তিনি প্রবাসে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে সুসংগঠিত করার পাশাপাশি নিজ এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে সবসময় ছায়ার মতো পাশে দাঁড়িয়েছেন। তার এই জনহিতকর কর্মকাণ্ড এবং বলিষ্ঠ নেতৃত্বই তাকে “গণমানুষের নেতা” হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
আগামীর প্রত্যাশা,
সময় এখন ধৈর্যের। তবে এই ধৈর্য পরাজয়ের নয়, বরং এক বিশাল বিজয়ের প্রস্তুতি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ঝালকাঠি-১আসনে আগামী দিনের রাজনীতিতে হাবিবুর রহমান সেলিম রেজার কোনো বিকল্প নেই বরং তিনিই একমাত্র কাঙ্ক্ষিত নেতৃত্বের নাম। ত্যাগের মূল্যায়ন হবেই, আর রাজপথের লড়াকু সৈনিক হিসেবে তিনি আবারও প্রমাণ করবেন যে প্রকৃত নেতৃত্ব কখনো হার মানতে জানে না।
ঝালকাঠি-১ আসনের গণমানুষের আস্থার প্রতীক হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা। তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংগ্রাম এবং সাহসিকতা আজ তাকে জননেতায় পরিণত করেছে। রাজপথ থেকে শুরু হওয়া এই অগ্রযাত্রায় একদিন চূড়ান্ত সাফল্যে রূপ নেবে।