• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৪ অপরাহ্ন
Headline
কোনো ষড়যন্ত্র দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে দমিয়ে রাখতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী বিপ্লব ও সংহতি দিবসের শোভাযাত্রায় তারেক রহমান নতুন প্রজন্মকে ৭ নভেম্বরের তাৎপর্য ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল: শাবি উপাচার্য আদমদীঘিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হৃদয়ের ম্যাজিকাল ২৪২*, বাংলাদেশ থামল ৩৮৬-তে কাঁঠালিয়া থানার ওসির বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ ​কাঁঠালিয়ায় বিরোধীয় জমিতে রাতের আঁধারে পাকা ভবন নির্মাণের অভিযোগ নানা আয়োজনে মৌলভীবাজারে ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত কাঁঠালিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে গাছ কাটা ও ফল চুরির অভিযোগ, থানায় জিডি দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের জবাব ঐক্যবদ্ধভাবেই দেওয়া হবে: তারেক রহমান

নতুন প্রজন্মকে ৭ নভেম্বরের তাৎপর্য ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল: শাবি উপাচার্য

প্রতিনিধি, শাবিপ্রবি / ৫ Time View
Update : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬

  • নতুন প্রজন্মকে ৭ নভেম্বরের তাৎপর্য ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, ইতিহাস কখনো জোর করে মুছে ফেলা যায় না। নতুন প্রজন্মকে দেশের সঠিক ইতিহাস জানাতে হবে।

শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মিনি অডিটোরিয়ামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপাচার্য বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস জাতির ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। এ দিবসের মূল নায়ক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন স্বাধীনতার মহান ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। বিগত ১৭ বছর এ দিবসটি পালনের সুযোগ দেওয়া হয়নি। নতুন প্রজন্মকে দিবসটির তাৎপর্য ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু ইতিহাস কখনো জোর করে মুছে ফেলা যায় না।

তিনি আরও বলেন, ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, যাঁরা দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করেন, তাঁরা মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নেন। এমন ব্যক্তিদের ইতিহাস থেকে কখনো মুছে ফেলা যায় না। আমাদের সন্তানদের সঠিক ইতিহাস জানতে হবে। কারণ, সঠিক ইতিহাস জানার মাধ্যমেই তারা দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। একদলীয় বাকশাল শাসনের অবসানের পর তিনি সব রাজনৈতিক দলের রাজনীতি করার অধিকার ফিরিয়ে দেন। অন্যদিকে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন।

৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সে সময় জিয়াউর রহমানকে বন্দি রাখা হয়েছিল এবং সেনাবাহিনীতে শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছিল। এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে তিনি মুক্তি লাভ করেন। এ ঘটনা দেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ মোড় পরিবর্তন করে।

আলোচনা সভায় ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস: ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক তাৎপর্য, রাষ্ট্রীয় সংকট থেকে উত্তরণ এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মোরাদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. জি এম রবিউল ইসলাম। সভায় সভাপতিত্ব করেন উদযাপন কমিটির সভাপতি ও গণিত বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. আশরাফ উদ্দিন। স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কালাম আহমদ চৌধুরী।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উদযাপন কমিটির সদস্যসচিব ও অতিরিক্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. মখলিছুর রহমান।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় শিক্ষক, হল প্রভোস্ট, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মী এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category