• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ন
Headline
নলডাঙ্গায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত, গুরুত্ব পেল জনসচেতনতা যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী মাহমুদুল আলমের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার, সেলাই মেশিন ও ক্রাচ বিতরণ সান্তাহার পৌর যুবদলের উদ্যোগে নানা আয়োজনে ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দুই বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি  বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে সুইজারল্যান্ডের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী  বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী জাপান উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সরকারি কর্মঘণ্টা উপেক্ষার অভিযোগ: দুপুরের আগে অফিসে মিলেনি রাজাপুরের জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী

রাজাপুর ঝালকাঠি প্রতিনিধি / ১০৭ Time View
Update : রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

সরকারি কর্মঘণ্টা যথাযথভাবে অনুসরণের বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কঠোর নির্দেশনা থাকলেও ঝালকাঠির উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী ফারহানা ইসলামের বিরুদ্ধে নিয়মিত দেরিতে অফিসে আসার অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নির্ধারিত কর্মঘণ্টা মেনে দায়িত্ব পালন করার কথা। নির্দেশনা অমান্য করলে সরকারি কর্মচারী আইন অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিধানও রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ফারহানা ইসলাম প্রায় প্রতিদিনই নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে অফিসে আসেন। কোনো কোনো দিন সকাল ১০টার পর, আবার কখনও ১১টা বা ১২টার দিকেও তাকে অফিসে দেখা যায়। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে রবিবার (২১ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজাপুর উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কার্যালয়ে গিয়ে তার অফিস কক্ষ তালাবদ্ধ পাওয়া যায়। পরে দুপুর ১২টার পর তিনি অফিসে আসেন বলে জানা যায়।

স্থানীয় বাসিন্দা বুলবুল আহম্মেদ বলেন, “যতবার অফিসে গিয়েছি, কোনোদিনই তাকে পাইনি। কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চাইলে কেউ বলেন জানি না, আবার কেউ বলেন তিনি মাঠে বা সাইটে আছেন।” নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, “তিনি নিজের সুবিধামতো অফিসে আসেন এবং চলে যান। তার বিরুদ্ধে কেউ কিছু বলতে চান না। এতে সাধারণ মানুষ প্রয়োজনীয় সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।”

অফিসে দেরিতে আসার অভিযোগ সম্পর্কে জানতে ফারহানা ইসলামের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি এবং কল কেটে দেন। পরবর্তীতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে ঝালকাঠি জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার এরশাদুজ্জামান মৃদুল বলেন, “সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত সময়েই অফিসে উপস্থিত থাকতে হবে। তিনি দেরিতে এলেও তার কক্ষ তালাবদ্ধ থাকার কথা নয়। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category