পুলিশ জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় কিছু অপরাধী ও সন্ত্রাসী সংঘবদ্ধ হয়ে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করতে পারে বলে তথ্য পাওয়া যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সম্ভাব্য অপরাধ ও নাশকতা প্রতিরোধে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সমন্বিত টহল জোরদার করা হয়।
অভিযানকালে বিভিন্ন পাহাড়ি ঘরবাড়ি ও স্থাপনা, আশপাশের পরিত্যক্ত স্থান এবং সন্দেহজনক এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়। সেখানে অবস্থানরত ব্যক্তিদের পরিচয় ও অবস্থানও যাচাই-বাছাই করা হয়।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, এ অভিযানের মাধ্যমে অপরাধীদের সংঘবদ্ধ হওয়ার সুযোগ প্রতিরোধ, নাশকতার সম্ভাব্য প্রস্তুতি নস্যাৎ এবং অপরাধ সংঘটনের অনুকূল পরিবেশ রোধের পাশাপাশি স্থানীয় জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বার্তা দেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত ও দৃশ্যমান উপস্থিতির ফলে এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও জোরদার হয়েছে।
অভিযানকালে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়। এ সময় তাদের নিরাপত্তার বিষয়ে আশ্বস্ত করার পাশাপাশি অপরাধ ও সন্দেহজনক তৎপরতার তথ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাতে এবং অপরাধ প্রতিরোধে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়।
জননিরাপত্তা, শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বাংলাদেশ পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।