• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৭ অপরাহ্ন
Headline
সরকারি বেতন দিতে ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিচ্ছে সরকার এতিমখানার ইলিশ ভাগাভাগি করে নিলেন মাদ্রাসাশিক্ষকসহ দুজন, জরিমানা ৮০ হাজার ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির বক্তব্য  সরকার-বিএনপি গ্রহণ করেনি সৌদি আরবের তেল শোধনাগারে হামলা, বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের জন্য ঢাকা-টোকিও সম্পর্ক সুদৃঢ় করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর এইচএসসির ফল প্রকাশ শনিবার, জানা যাবে যেভাবে সিপিবির কার্যালয়ে হামলার প্রতিবাদে যুক্তফ্রন্টের বিক্ষোভ আজকের নামাজের সময়সূচি (২৮ অক্টোবর) স্থলভাগে প্রবেশ করেছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, উপকূলে তাণ্ডবের শঙ্কা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে না নেতানিয়াহু বা বিরোধী জোট, রেকর্ড সংখ্যক আসন পাচ্ছে আরব দলগুলো

চালুর অপেক্ষায় ঝালকাঠি ম্যাটস: ৩৩ কোটি টাকার ভবন চার বছর ধরে অচল

ঝালকাঠি প্রতিনিধি / ৫৭ Time View
Update : সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

ঝালকাঠিতে প্রায় ৩৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল (ম্যাটস) ভবন চার বছর ধরে অচল পড়ে রয়েছে। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন অবকাঠামো নির্মাণ শেষ হলেও এখনো শুরু হয়নি কোনো একাডেমিক কার্যক্রম। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১৯ সালের ১৭ জুন নির্মাণকাজ শুরু হয়ে ২০২১ সালের ৩০ ডিসেম্বর শেষ হয়। পরে ২০২২ সালের ২৩ জুন ভবনটি স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও প্রতিষ্ঠানটি চালুর কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।

প্রায় ৩৩ কোটি ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ প্রকল্পে একাডেমিক ভবন, ছাত্র ও ছাত্রী হোস্টেল, প্রিন্সিপাল ও স্টাফ কোয়ার্টার, সাব-স্টেশন, অভ্যন্তরীণ সড়ক ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থাসহ প্রয়োজনীয় সব অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। তবে এসব সুবিধা থাকা সত্ত্বেও ব্যবহার না হওয়ায় সরকারি অর্থ অপচয়ের অভিযোগ উঠেছে।

মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিংয়ে আগ্রহী শিক্ষার্থীরা বলেন, প্রস্তুত একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু না হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। দ্রুত পাঠদান কার্যক্রম শুরুর দাবি জানিয়েছেন তারা।

স্বাস্থ্য খাত সংশ্লিষ্টরা জানান, দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় ভবনগুলোর ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে সেখানে অস্থায়ীভাবে একটি সেনা ক্যাম্প পরিচালিত হচ্ছে।

স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ঝালকাঠির উপসহকারী প্রকৌশলী মো. বাহারুল ইসলাম বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রকল্পের কাজ শেষ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। কিন্তু কার্যক্রম শুরু না হওয়ায় ভবনগুলো অব্যবহৃত রয়েছে, যা ভবিষ্যতে ক্ষতির কারণ হতে পারে।

সহকারী প্রকৌশলী মো. সোহেল জানান, প্রতিষ্ঠানটি চালুর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা চলছে। দেশের অন্যান্য এলাকাতেও একই ধরনের প্রকল্প চালু না হওয়ায় বিষয়টি নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।

ঝালকাঠির সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির বলেন, ম্যাটস চালুর বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি বিকল্প হিসেবে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের কিছু একাডেমিক কার্যক্রম এখানে স্থানান্তরের বিষয়েও আলোচনা চলছে। সিদ্ধান্ত হলে দ্রুত কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category