• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন
Headline
কর্মদক্ষতার স্বীকৃতি, ট্রাফিক উত্তর বিভাগের কল্যাণ সভায় পুরস্কৃত হলেন সেরা পুলিশ সদস্যরা ঠাকুরগাঁও-১ উপ-নির্বাচন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীনের ভূমিধস জয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠক  ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের দাম অপরিবর্তিত থাকছে নোয়াখালীতে অস্ত্র তৈরির কারিগর গ্রেপ্তার, বন্দুক ও সরঞ্জাম উদ্ধার যুবদল আপনাদের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, ভাই: বিএনপি নেতাদের সহযোগিতার আহ্বান মুন্নার টয়োটার প্রথম প্রাইভেট কারে উঠলেন প্রধানমন্ত্রী মদিনার যে স্থানে নবী কারিম (সা.) তিনটি দোয়া করেছিলেন সৌদি আরবে প্রবাসী শ্রমিকদের ওপর বর্বর নির্যাতন, মৃত্যুদন্ড ও শিরশ্ছেদ বন্ধ করুন শ্রমিক বিক্ষোভ সমাবেশে সাইফুল হক উৎসবমুখর পরিবেশে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন 

ঈদ সামনে, মৌলভীবাজারে কম কাজ; বেড়েছে কয়লা-লোহার দাম

মনজু বিজয় চৌধুরী,মৌলভীবাজার / ১১৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬

পবিত্র ঈদ-উল আজহা দরজায় কড়া নাড়ছে। মৌলভীবাজার শহরের এখন ব্যস্ত সময় পার হওয়ার কথা থাকলেও অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর কাজের চাপ অনেকটাই কম বলে জানিয়েছেন কামার কারিগররা। তাদের দাবি, বাজারে কয়লা ও লোহার দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় উৎপাদন খরচ বেড়েছে, কিন্তু সেই অনুপাতে ক্রেতা নেই। ফলে লোকসানের শঙ্কায় রয়েছেন তারা।
সারাবছরের মন্দাভাবের সঙ্গে নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির প্রভাব পড়েছে এই বাজারেও। ফলে ক্রেতাদের উপস্থিতি ও চাহিদা দুটোই তুলনামূলক কম।
সরেজমিনে মৌলভীবাজার বেরীরপাড় বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিটি কামার দোকানে কেউ চুলায় ভাপি (বাতাস দেওয়ার বিশেষ যন্ত্র) টানছে, কেউবা শান দিচ্ছে দা, ছুড়ি, চাপাতি তৈরিতে দিনরাত কাজ করছে কামাররা। লোহার টুকরা আগুনে পুড়িয়ে সেগুলো পিটিয়ে দা, ছেনিসহ বিভিন্ন লোহার সরঞ্জাম তৈরির টুং টাং শব্দে মুখর বেরীরপাড়। ছোট-বড় বাজারগুলোতে কামাররা কর্মব্যস্ততায় দিন পার করছেন।

বর্তমানে ছোট ছুরি ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায়, মাঝারি চাকু ৭০০ থেকে ৯০০ টাকায় এবং বড় চাকু বা সেট ১ হাজার টাকার মধ্যেই বিক্রি করা হচ্ছে। এদিকে বাজার পরিস্থিতির কারণে শ্রমিকদের মজুরি ও দোকান পরিচালনার খরচ মেটানো নিয়েও দুশ্চিন্তায় রয়েছেন কামারশালার মালিকরা। তাদের আশঙ্কা, এ অবস্থা চলতে থাকলে ভবিষ্যতে অনেকেই এই পেশা ছেড়ে দিতে বাধ্য হবেন।

ত্রেুতারা জানান, “সবকিছুর দামই বেশি। তাই হিসেব করেই কেনাকাটা করতে হচ্ছে। আগে যে চাকু কম দামে পাওয়া যেত, এখন সেটার দামও অনেক বেশি।
কারিগররা বলছেন, লোহা ও অন্যান্য কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়ায় বেড়েছে উৎপাদন খরচও। ফলে দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছেন তারা। তবে সেই বাড়তি দাম অনেক ক্রেতার নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। “আগে ঈদের কয়েক সপ্তাহ আগ থেকেই অনেক বিক্রি হতো। এবার মানুষ আসে, দেখে, দাম জিজ্ঞেস করে চলে যায়।”
ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে ব্যবসায়ীদের অপেক্ষা। শেষ মুহূর্তে বাজারে কিছুটা গতি ফিরবে এমন আশাতেই দিন পার করছেন তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category