• রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:১০ অপরাহ্ন
Headline
৪ নভেম্বর ৩ দাবিতে মাঠে নামছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৯২৯ স্পিকারের সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ রবিবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে পারেন বিএনপি প্রার্থী এলিজা কাঁঠালিয়ায় জাতীয় যুব দিবস পালিত: ১০ যুবকের মধ্যে ৮ লাখ টাকার ঋণ বিতরণ মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধি: রাশেদ খাঁন গার্মেন্টসকর্মী হিসেবে আন্দোলনে নেমেছে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ ছাত্রজীবনের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা যাতে কর্মজীবনে প্রতিফলিত না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুবশক্তিকে কাজে লাগাতে পারলে সাফল্য আসবে: রাষ্ট্রপতি জুলাই–অক্টোবরে রপ্তানি আয় ১৭.০৪ বিলিয়ন ডলার, প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ

জুলাই–অক্টোবরে রপ্তানি আয় ১৭.০৪ বিলিয়ন ডলার, প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩ Time View
Update : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬

  • ২০২৬ সালের জুলাই–অক্টোবর সময়ে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৭ দশমিক ০৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৬ দশমিক ০৮ বিলিয়ন ডলার। এ হিসাবে রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ৯৬ কোটি ডলার বা ৬ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানাা গেছে।

রপ্তানি প্রবৃদ্ধিতে প্রধান অবদান রেখেছে তৈরি পোশাক খাত। আলোচ্য সময়ে নিটওয়্যার রপ্তানি ৭ শতাংশ বেড়ে ৭ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলারে এবং ওভেন পোশাক রপ্তানি ৪ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ৬ দশমিক ০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। মোট রপ্তানিতে এ দুই খাতের সম্মিলিত অংশ প্রায় ৮০ দশমিক ৪ শতাংশ। সামগ্রিক রপ্তানি বৃদ্ধির প্রায় ৮১ শতাংশ এসেছে তৈরি পোশাক খাত থেকে।

পোশাকের বাইরেও কয়েকটি পণ্য খাতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। পাট ও পাটজাত পণ্যে ২৩ দশমিক ৮ শতাংশ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে ১২ দশমিক ৭ শতাংশ এবং রাসায়নিক পণ্যে ২৭ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এসব খাতের রপ্তানি যথাক্রমে ৩৮ কোটি ৩০ লাখ, ৪৬ কোটি ৪০ লাখ এবং ১৫ কোটি ৭০ লাখ ডলারে পৌঁছেছে। হোম টেক্সটাইল ও পাদুকা রপ্তানিও যথাক্রমে ৭ দশমিক ৪ শতাংশ ও ৯ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে।

তবে কৃষিপণ্য, হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ এবং তুলা ও তুলাজাত পণ্যের রপ্তানি যথাক্রমে ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ, ১০ দশমিক ৯ শতাংশ ও ১০ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে।

সামগ্রিকভাবে রপ্তানির ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি পোশাকবহির্ভূত কয়েকটি খাতের সম্প্রসারণ সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এ ধারা ধরে রাখতে পণ্যের মান ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, নতুন বাজার সম্প্রসারণ এবং পিছিয়ে থাকা খাতগুলোর প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category