• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন
Headline
ইসরাইলের নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ, কত আসন পেল নেতানিয়াহুর দল? নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ফুটপাতে চাঁদাবাজি বন্ধে ওয়ার্ডভিত্তিক হকার ব্যবস্থাপনার প্রস্তাব ইউক্রেনে রাশিয়ার ড্রোন হামলায় নিহত ২০ বছরের শেষ নাগাদ পণ্যের দাম বাড়তে পারে ২৩ শতাংশ: বিশ্বব্যাংক জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে বকেয়া টাকা চাওয়ায় রেস্টুরেন্টে তালা লাগানোর অভিযোগ আজকের নামাজের সময়সূচি ঝুলে আছে নেতানিয়াহুর ভাগ্য, আরবরাই কিং মেকার বিইআরসির গণশুনানি ১২ কেজি এলপিজির দাম বাড়িয়ে ১৯৭৬ টাকা করার সুপারিশ বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মৃত্যু, হেফাজতে বন্ধু দীপ জাপান সফর শেষে ঢাকায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

মদিনার যে স্থানে নবী কারিম (সা.) তিনটি দোয়া করেছিলেন

বর্তমান বাংলাদেশ ডেস্ক / ৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬

মসজিদে ইজাবা, ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবের মদিনা মোনাওয়ারায় এমন কিছু স্থান রয়েছে, যেগুলোর সঙ্গে জড়িয়ে আছে হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর দোয়া, উম্মতের প্রতি ভালোবাসা এবং ইসলামের গভীর শিক্ষা। তেমনই একটি ঐতিহাসিক স্থান হলো- মসজিদে ইজাবা, যা মসজিদে বনি মোয়াবিয়া নামেও পরিচিত।

মদিনার ‘বুস্তানুল সাম্মাম’-এর কাছে দোয়া কবুলের এ মসজিদটি অবস্থিত। এ মসজিদে অবস্থানকালে নবী কারিম (সা.)-এর করা দোয়া কবুল হয়েছিল। দোয়া কবুল হওয়ার কারণে এটি দোয়া কবুলের মসজিদ হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে। মসজিদের এ জায়গার মালিক ছিলেন মদিনার আল-আওস গোত্রের হজরত মোয়াবিয়া ইবনে মালিক ইবনে আউফ (রা.)।

হজরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রা.) থেকে বর্ণিত, একদিন হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) মদিনার আলিয়া অঞ্চল থেকে ফেরার পথে বনি মোয়াবিয়ার মসজিদে প্রবেশ করেন। সেখানে তিনি দুই রাকাত নামাজ আদায় করেন এবং দীর্ঘ সময় ধরে আল্লাহতায়ালার কাছে দোয়া করেন।

এরপর তিনি সাহাবিদের জানালেন, তিনি তার রবের কাছে তিনটি বিষয়ে দোয়া করেছেন। আল্লাহতায়ালা দু’টি দোয়া কবুল করেছেন, আর একটি বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তিনি যা চেয়েছিলেন, তা দেওয়া হয়নি। হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সেই তিনটি দোয়া ছিল- এক. তার উম্মত যেন দুর্ভিক্ষের কারণে সামগ্রিকভাবে ধ্বংস না হয়। দুই. তার উম্মত যেন পানিতে ডুবে সামগ্রিকভাবে ধ্বংস না হয়। তিন. তার উম্মতের মধ্যে যেন পারস্পরিক রক্তপাত ও সংঘাত না ঘটে। প্রথম দু’টি বিষয়ে আল্লাহতায়ালা তার দোয়া কবুল করেন। কিন্তু তৃতীয় বিষয়ে তা কবুল করা হয়নি। -সহিহ মুসলিম: ২৮৯০

এই ঘটনা আমাদের শেখায়, হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) তার উম্মতের নিরাপত্তা ও কল্যাণের জন্য কত গভীরভাবে চিন্তা করতেন। একইসঙ্গে এটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়- মুসলিমদের পারস্পরিক বিবাদ, সংঘাত ও রক্তপাত থেকে বেঁচে থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মদিনার এই ঐতিহাসিক স্থানটি শুধু একটি স্থাপনা নয়, এটি উম্মতের জন্য নবীজি (সা.)-এর দোয়া ও ভালোবাসার স্মারক। মসজিদটি মদিনার জান্নাতুল বাকির ৩৮৫ মিটার দক্ষিণে আস-সিত্তিন স্ট্রীটে অবস্থিত। মসজিদে নববি থেকে এ মসজিদের দূরুত্ব মাত্র ৫৮০ মিটার। হজ- উমরা পালনকারী কিংবা দর্শনার্থীরা এই মসজিদ গিয়ে নিজেদের জন্য দোয়া করে থাকেন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category