ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের ভূমিকাও ছিল। ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে সোচ্চার না হয়ে নীরবতা ও একপাক্ষিক সংবাদ পরিবেশন কর্তৃত্ববাদকে শক্তিশালী করেছে বলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা: শফিকুর রহমান।
২৩ অক্টোবর শনিবার সকালে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তিনি। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী জামায়াতকে ইংগিত করে যে কথা বলেছেন সেটি প্রধানমন্ত্রী খোলাসা করে বলুন কোথায়? কখন? কার সাথে? কিভাবে সেটি? আমরা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছি। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রেফারেন্স দিয়ে একজন প্রধানমন্ত্রী পাবলিকলি এই কথা বলতে পারেন না। তিনি অন্যায় করেছেন।
বিরোধীদলীয় নেতা আরও বলেন, আমরা সৌভাগ্যক্রমে একজন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পেয়েছি। তিনি সকল মন্ত্রণালয়ে সার্ভিস দেন। তার প্রাইম ডিউটি হচ্ছে নিজের মন্ত্রণালয় লোক আফটার করা। না তিনি মাদক নিয়ন্ত্রণ, অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ করলেন, না তিনি সমাজে শৃঙ্খলা ফিরাতে পারলেন। রাষ্ট্রের আইন শৃঙ্খলার দৃশ্যমান কোন উন্নতি নেই।
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, জাতীয় সংসদের চীফ হুইফ যিনি জাতীয় সংসদের শৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকেন তিনি তার এলাকায় গিয়ে বলেছেন, যে জায়গায় বিএনপি’র প্রার্থী বিজয়ী হবে না সেখানে কোনো সরকারি বরদ্দ দেয়া হবে না। এটা লজ্জার বিষয়। তার মানে আগ থেকে জনগণকে ভয় দেখানো হচ্ছে। এরকম ভয়ভীতি এবং দলভীতির মধ্য দিয়ে নির্বাচন হলে নির্বাচন সুষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
জামায়াত আমীর বলেন, “স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে এখনও ভালো লক্ষণ দেখছি না। বিএনপির একজন অবসরপ্রাপ্ত ক্যাডারকে নির্বাচন কমিশনের এডিশনাল সেক্রেটারী হিসাবে বসানো হয়েছে। পরে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত জামায়াতের ওয়ার্ড দায়িত্বশীল সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন ডা. শফিকুর রহমান।
শনিবার মৌলভীবাজার সার্কিট হাউসে মুন হল রুমে জেলা আমীর ইঞ্জিনিয়ার মোঃ শাহেদ আলীর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মোঃ ইয়ামীর আলীর উপস্থাপনায় এতে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, হবিগঞ্জ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি কাজী মহসিন আহমদ প্রমুখ।