বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার বারইপটল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কার্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ সাজা দেওয়া হয়। আদালত পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লিজা রিছিল।
দণ্ডপ্রাপ্ত সুজন মিয়া কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের আলালপুর গ্রামের মো. মুসলিম উদ্দিনের ছেলে। তিনি পেশায় বেকারি কারিগর।
স্থানীয় সূত্র জানা, এদিন দুপুর দেড়টার দিকে ওই ছাত্রী বারইপটল মোড়ের একটি দোকান থেকে খাবার কিনে বিদ্যালয়ে ফিরছিল। পথে সুজন মিয়া ওই ছাত্রীর হাত ধরে টেনে-হিঁচড়ে পাশের কলাবাগানে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি ওই ছাত্রীকে অশালীন কথাবার্তাও বলেন। শিক্ষার্থী সুজনের কাছ থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়ে দৌঁড়ে বিদ্যালয়ে ফিরে আসে। পরে বিষয়টি প্রধান শিক্ষক ও সহপাঠীদের জানায়। এরপর শিক্ষার্থীরা সুজন মিয়াকে ধরে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসে এবং আটকে রাখে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খলিলুর রহমান বিষয়টি সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লিজা রিছিলকে জানান। এরপর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। আদালতে সুজন মিয়া দোষ স্বীকার করলে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৫০৯ ধারায় তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লিজা রিছিল বলেন, ‘ইভটিজিংয়ের অপরাধে বেকারি কারিগরকে এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ ধরনের কার্যক্রম চলমান থাকবে।’