• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন
Headline
নলডাঙ্গায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত, গুরুত্ব পেল জনসচেতনতা যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী মাহমুদুল আলমের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার, সেলাই মেশিন ও ক্রাচ বিতরণ সান্তাহার পৌর যুবদলের উদ্যোগে নানা আয়োজনে ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দুই বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি  বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে সুইজারল্যান্ডের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী  বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী জাপান উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বদলির শেষ মুহূর্তে ইউএনওর ৩ শতাধিক নামজারি অনুমোদন!

সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি / ৪২ Time View
Update : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬

ইউএনও খোন্দকার মাহমুদুল হাসান। ছবি : সংগৃহীত
চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় বদলির শেষ মুহূর্তে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খোন্দকার মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধে অস্বাভাবিক গতিতে বিপুলসংখ্যক নামজারি মামলা অনুমোদনের অভিযোগ উঠেছে। সহকারী কমিশনারের (ভূমি) দায়িত্ব পাওয়ার মাত্র দুই দিনের মধ্যে তিন শতাধিক নামজারি ফাইল অনুমোদন ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের ভেতরে ও বাইরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
সাতকানিয়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সামছুজ্জামান গত ১৬ আগস্ট বদলি হওয়ার পর পদটি শূন্য হয়। এরপর ২৫ আগস্ট ইউএনও খোন্দকার মাহমুদুল হাসানকে ওই পদের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। এর মাত্র দুই দিন পর ২৭ আগস্ট ছিল সাতকানিয়ায় তার শেষ কর্মদিবস। অভিযোগ রয়েছে, এই সংক্ষিপ্ত সময়ের সুযোগ নিয়ে ২৬ ও ২৭ আগস্ট অফিস সময়ের বাইরে ও গভীর রাতে সরকারি বাসভবনে বসে তিন শতাধিক নামজারি ফাইল অনুমোদন করা হয়েছে।
বিভিন্ন ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তাদের বক্তব্যেও স্বল্প সময়ে প্রচুর ফাইল অনুমোদনের তথ্য উঠে এসেছে। সদর ভূমি অফিসের তহশিলদার কাজী ইমরুল কায়েস জানান, ওই সময়ে ইউএনও ৬০ থেকে ৭০টি ফাইল অনুমোদন দিয়েছেন। বাজালিয়া ভূমি অফিসের তহশিলদার মোকাম্মেল হোসেন প্রায় ৩০টি ফাইল অনুমোদনের কথা জানান।
সংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন, একটি নামজারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে যেখানে দীর্ঘ সময় লাগে, সেখানে কাগজপত্র যাচাই ও তদন্ত শেষ না করেই কীভাবে মাত্র দুই দিনে শত শত ফাইল অনুমোদন করা হলো? যদি ফাইলগুলোর সব প্রক্রিয়া আগেই সম্পন্ন হয়ে থাকে, তবে এতদিন সেগুলো আটকে রাখা হলো কেন এই প্রশ্ন তুলেছে এলাকাবাসী ও ভূমি প্রশাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি এই তড়িঘড়ি অনুমোদনের পেছনে কয়েক লাখ টাকার আর্থিক লেনদেন হয়েছে বলে জোরালো গুঞ্জন রয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে ইউএনও খোন্দকার মাহমুদুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেননি। উল্টো প্রতিবেদকের পেশাদারত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, যাক, তুমিও যে গুজব পার্টির সদস্য, সেটা জানা ছিল না। আল্লাহ তোমাকে হেদায়েত দিক। কৃতজ্ঞতা জিনিসটা সম্ভবত তোমার চরিত্রে নেই। এতই যখন ইউএনও অফিস, এসিল্যান্ড অফিস নিয়ে মাথাব্যথা, বিসিএস দিয়ে ক্যাডার হয়ে যাও।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category