একই সময়ে পরিমাণে রপ্তানি ৬ দশমিক ৫৩ শতাংশ বাড়লেও গড় মূল্য ৫ দশমিক ৩১ শতাংশ কমেছে।ইইউর বাজারে বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর মধ্যে চীনের রপ্তানি কমেছে ৮ দশমিক ৮৮, তুরস্কের ১৪ দশমিক ৬০, ভারতের ১২ দশমিক ৪৯, পাকিস্তানের ১২ দশমিক ৫৩, শ্রীলঙ্কার ১১ দশমিক ২১ ও কম্বোডিয়ার ৮ দশমিক ৮৪ শতাংশ। তবে এসব দেশের মধ্যে একমাত্র ভিয়েতনাম ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে পেরেছে। দেশটির রপ্তানি ০ দশমিক ৩৬ শতাংশ বেড়েছে। যদিও রপ্তানির পরিমাণ কমেছে, কিন্তু গড় মূল্য ১৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ বৃদ্ধির ফলে তারা সামগ্রিক আয় বাড়াতে সক্ষম হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, উচ্চমূল্যের ও বেশি মূল্য সংযোজনসম্পন্ন পণ্যে জোর দেওয়ার কৌশল ভিয়েতনামকে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে রেখেছে।
বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সাবেক পরিচালক, বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের প্রতিষ্ঠাতা মো. মহিউদ্দিন রুবেল বর্তমান বাংলাদেশকে বলেন, ‘ইউরোপের বাজারে দুর্বল চাহিদা এবং মূল্যচাপের কারণে বাংলাদেশের রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে জুনের প্রবৃদ্ধি আগামী মাসগুলোয় বাজার ধীরে ধীরে স্থিতিশীল হওয়ার সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।’