• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫২ অপরাহ্ন
Headline
মিরপুরে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে বিকেলে ফের অভিযান বিএনপি-ছাত্রদলের দুর্দিনের বহু কাণ্ডারীও ভুক্তভোগী হচ্ছেন: নাহিদ ইসলাম কালিয়ায় বিশ্ব হাত ধোঁয়া দিবস ২০২৬ পালন। ৩৭তম বিসিএসের শিক্ষা ক্যাডারের প্রভাষক পদের পদোন্নতি অগ্রগতি কতদূর? ঝালকাঠিতে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত মৌলভীবাজারে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উদযাপিত, আহতদের মাঝে অনুদান বিতরণ সরকারি বেতন দিতে ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিচ্ছে সরকার এতিমখানার ইলিশ ভাগাভাগি করে নিলেন মাদ্রাসাশিক্ষকসহ দুজন, জরিমানা ৮০ হাজার ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির বক্তব্য  সরকার-বিএনপি গ্রহণ করেনি সৌদি আরবের তেল শোধনাগারে হামলা, বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম

পোশাক রপ্তানি নিম্নমুখী ইইউতে

অর্থনীতি ডেস্ক / ৫০ Time View
Update : রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬

ছয় মাসে কমেছে ১৬.৪৩ শতাংশ

বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক মন্দা, মূল্যস্ফীতি এবং ইউরোপের বাজারে ভোক্তাচাহিদা সংকোচনের সরাসরি প্রভাব পড়েছে দেশের তৈরি পোশাক খাতে। ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে (জানুয়ারি-জুন) ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে সার্বিক তৈরি পোশাক আমদানি প্রায় ১০ শতাংশ কমে গেছে।
বৈশ্বিক এই মন্দার ধাক্কায় ইইউর অন্যতম শীর্ষ সরবরাহকারী দেশ বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি আয়ও বড় অঙ্কের পতনের মুখে পড়েছে। অর্ধবার্ষিক হিসাবে প্রবৃদ্ধিতে বড় ধস নামলেও জুনের একক পারফরম্যান্সে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। বর্তমান বাংলাদেশর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।ইইউর পরিসংখ্যান সংস্থা ইউরোস্ট্যাটের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ১৬ দশমিক ৪৩ শতাংশ কমেছে।

তবে টানা দুর্বলতার মধ্যে গত জুনে ০ দশমিক ৮৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। জানুয়ারি-জুন সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ইইউর পোশাক আমদানি ৯ দশমিক ৭০ শতাংশ কমে ৪১ দশমিক ১০ বিলিয়ন ইউরোয় নেমে এসেছে। অর্থাৎ ইউরোপের ভোক্তাচাহিদা ও মূল্য দুই ক্ষেত্রেই চাপ অব্যাহত রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বেশি চাপের মুখে পড়েছে।
প্রথম ছয় মাসে ইইউতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ইউরোয়। এ সময় রপ্তানির পরিমাণ কমেছে ৮ দশমিক ২২ এবং গড় ইউনিট মূল্য কমেছে ৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ। ফলে রপ্তানি আয় কমার পেছনে শুধু অর্ডার হ্রাস নয়, কম দামে পণ্য বিক্রির প্রবণতাও বড় ভূমিকা রেখেছে। তবে জুনে কিছুটা আশার আলো দেখা গেছে। ওই মাসে রপ্তানি ১ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন ইউরোয় পৌঁছেছে।
একই সময়ে পরিমাণে রপ্তানি ৬ দশমিক ৫৩ শতাংশ বাড়লেও গড় মূল্য ৫ দশমিক ৩১ শতাংশ কমেছে।ইইউর বাজারে বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর মধ্যে চীনের রপ্তানি কমেছে ৮ দশমিক ৮৮, তুরস্কের ১৪ দশমিক ৬০, ভারতের ১২ দশমিক ৪৯, পাকিস্তানের ১২ দশমিক ৫৩, শ্রীলঙ্কার ১১ দশমিক ২১ ও কম্বোডিয়ার ৮ দশমিক ৮৪ শতাংশ। তবে এসব দেশের মধ্যে একমাত্র ভিয়েতনাম ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে পেরেছে। দেশটির রপ্তানি ০ দশমিক ৩৬ শতাংশ বেড়েছে। যদিও রপ্তানির পরিমাণ কমেছে, কিন্তু গড় মূল্য ১৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ বৃদ্ধির ফলে তারা সামগ্রিক আয় বাড়াতে সক্ষম হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, উচ্চমূল্যের ও বেশি মূল্য সংযোজনসম্পন্ন পণ্যে জোর দেওয়ার কৌশল ভিয়েতনামকে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে রেখেছে।

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সাবেক পরিচালক, বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের প্রতিষ্ঠাতা মো. মহিউদ্দিন রুবেল বর্তমান বাংলাদেশকে বলেন, ‘ইউরোপের বাজারে দুর্বল চাহিদা এবং মূল্যচাপের কারণে বাংলাদেশের রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে জুনের প্রবৃদ্ধি আগামী মাসগুলোয় বাজার ধীরে ধীরে স্থিতিশীল হওয়ার সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category