• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৫ অপরাহ্ন
Headline
সান্তাহার পৌর যুবদলের উদ্যোগে নানা আয়োজনে ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দুই বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি  বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে সুইজারল্যান্ডের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী  বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী জাপান উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে জাপানি ব্যবসায়ীদের প্রতি তারেক রহমানের আহ্বান মিরপুরে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে বিকেলে ফের অভিযান

লালমনিরহাটে ২৬ বছর পর এতিমের জমি উদ্ধার।।

লালমনিরহাট প্রতিনিধি / ৫২ Time View
Update : শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার তেঁতুলিয়া এলাকায় দীর্ঘ ২৬ বছর ধরে হাতছাড়া থাকা এক এতিমের জমি আদালতের রায়ের পর অবশেষে প্রকৃত মালিকের কাছে বুঝিয়ে দিয়েছে আদালত। শুক্রবার (১৪ আগষ্ট) দুপুরে স্থানীয় ও পুলিশ স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতায় জমিটি পুরোপুরি দখলমুক্ত করা হয়। ভুক্তভোগী জমি মালিকের নাম মিজানুর রহমান। তিনি তেঁতুলিয়া এলাকার মৃত শাহজাহান আলীর ছেলে।
স্থানীয় ও মামলা সূত্রে জানা যায়, মিজানুর ছোট থাকতেই তার বাবা শাহজাহান আলী মারা যান। বাবার মৃত্যুর পর মা নয়নী বেওয়া অন্যত্র বিয়ে করলে শিশু মিজানুর তার দাদির কাছে লালিত-পালিত হতে থাকেন। অভিযোগ রয়েছে, মিজানুর অবুঝ ও নাবালক থাকার সুযোগে তার মা এবং চাচা শহিদুল ইসলাম যোগসাজশ করে জমি রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত জটিলতা তৈরি করেন। পরবর্তীতে মিজানুর প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে নিজের পৈতৃক জমি ভোগদখল করতে গেলে চাচা শহিদুল ইসলাম বাধা দেন। পৈতৃক ভিটা ও জমি ফিরে পেতে মিজানুর রহমান ২০২০ সালে আদালতের শরণাপন্ন হন। দীর্ঘ আইনি লড়াই ও শুনানির পর গত ১৩ আগস্ট লালমনিরহাটের দায়রা জজ আদালত মিজানুর রহমানের পক্ষে রায় ঘোষণা করেন। পরে শুক্রবার (১৪ আগষ্ট) দুপুরে স্থানীয় ও পুলিশ স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতায় জমিটি পুরোপুরি দখলমুক্ত জমি বুঝিয়ে দেয়।
জমি মালিক মিজানুর রহমান বলেন, দীর্ঘ ২৬ বছর ধরে এই জমি নিয়ে আমি চরম ভোগান্তিতে ছিলাম। আদালতের রায়ের পর এলাকাবাসী যেভাবে পাশে দাঁড়িয়েছে, তাতে আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।
আদালতের রায় আসার পর স্থানীয় সচেতন মহল ও প্রতিবেশীরা বিষয়টি গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করেন। শুক্রবার সকালে তারা সমন্বিত উদ্যোগ নিয়ে জমিটি দখলমুক্ত করে মিজানুর রহমানের কাছে সমর্পণ করেন।
উদ্যোগটির বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম বলেন, আমরা বিচার ব্যবস্থার ওপর শ্রদ্ধাশীল। আদালতের রায়ের প্রতি সম্মান জানিয়েই স্থানীয় ও পুলিশের সহযোগতিয়া বিষয়টির শান্তিপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করে প্রকৃত মালিককে তার পাওনা জমি বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category