• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৪ অপরাহ্ন
Headline
মিরপুরে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে বিকেলে ফের অভিযান বিএনপি-ছাত্রদলের দুর্দিনের বহু কাণ্ডারীও ভুক্তভোগী হচ্ছেন: নাহিদ ইসলাম কালিয়ায় বিশ্ব হাত ধোঁয়া দিবস ২০২৬ পালন। ৩৭তম বিসিএসের শিক্ষা ক্যাডারের প্রভাষক পদের পদোন্নতি অগ্রগতি কতদূর? ঝালকাঠিতে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত মৌলভীবাজারে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উদযাপিত, আহতদের মাঝে অনুদান বিতরণ সরকারি বেতন দিতে ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিচ্ছে সরকার এতিমখানার ইলিশ ভাগাভাগি করে নিলেন মাদ্রাসাশিক্ষকসহ দুজন, জরিমানা ৮০ হাজার ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির বক্তব্য  সরকার-বিএনপি গ্রহণ করেনি সৌদি আরবের তেল শোধনাগারে হামলা, বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম

আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা: আপিল বিভাগে চতুর্থ দিনের শুনানি আজ

আদালত প্রতিবেক / ৪৪ Time View
Update : বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬

আহসান উল্লাহ মাস্টার। ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগ নেতা ও গাজীপুরের সাবেক সংসদ সদস্য আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলের ওপর আজ চতুর্থ দিনের মতো শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

বুধবার (১২ আগস্ট) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের চার সদস্যের বেঞ্চে এ শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে গত ১১ আগস্ট তৃতীয় দিনের শুনানি শেষে আজকের দিন ধার্য করেন আদালত।

আসামিপক্ষে শুনানি করছেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান। রাষ্ট্রপক্ষে রয়েছেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভুঞা। আইনজীবী এস এম শাহজাহান জানান, গত ২৮ জুলাই আপিলের শুনানি শুরু হয়। এরপর ২ আগস্ট ও ১১ আগস্ট শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আহসান উল্লাহ মাস্টার ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে গাজীপুর-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৪ সালের ৭ মে গাজীপুরের নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে একটি সমাবেশ চলাকালে প্রকাশ্যে গুলি করে তাকে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল রায় দেন। রায়ে বিএনপি নেতা নূরুল ইসলাম সরকারসহ ২২ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামির মৃত্যু হয়।

ওই রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের আপিল এবং মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য মামলাটি হাইকোর্টে আসে। দীর্ঘ শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ১৫ জুন বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের বেঞ্চ রায় দেন।

হাইকোর্টের রায়ে ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড ও দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়। সাতজনের মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া ১১ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়।

হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে পরবর্তী সময়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেন সংশ্লিষ্ট আসামিরা। সেই আপিলের ওপরই বর্তমানে শুনানি চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category