• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন
Headline
কর্মদক্ষতার স্বীকৃতি, ট্রাফিক উত্তর বিভাগের কল্যাণ সভায় পুরস্কৃত হলেন সেরা পুলিশ সদস্যরা ঠাকুরগাঁও-১ উপ-নির্বাচন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীনের ভূমিধস জয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠক  ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের দাম অপরিবর্তিত থাকছে নোয়াখালীতে অস্ত্র তৈরির কারিগর গ্রেপ্তার, বন্দুক ও সরঞ্জাম উদ্ধার যুবদল আপনাদের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, ভাই: বিএনপি নেতাদের সহযোগিতার আহ্বান মুন্নার টয়োটার প্রথম প্রাইভেট কারে উঠলেন প্রধানমন্ত্রী মদিনার যে স্থানে নবী কারিম (সা.) তিনটি দোয়া করেছিলেন সৌদি আরবে প্রবাসী শ্রমিকদের ওপর বর্বর নির্যাতন, মৃত্যুদন্ড ও শিরশ্ছেদ বন্ধ করুন শ্রমিক বিক্ষোভ সমাবেশে সাইফুল হক উৎসবমুখর পরিবেশে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন 

পরিস্থিতি খারাপ হলে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২৪ Time View
Update : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

  • আইন সংশোধনের উদ্যোগ ইসির

সরকারের নির্বাচনে প্রথম ধাপের পরিস্থিতি দেখে মাঠে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এজন্য নির্বাচন বিধিমালায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংজ্ঞায় সেনাবাহিনীকে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দ্রত স্থানীয় সরকার বিধিমালা সংশোধন করে সরকারের কাছে পাঠানো হবে। সরকার এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, এবারের নির্দলীয় নির্বাচনে প্রার্থীর সংখ্যা যেমন বেশি হবে, তেমন বিভিন্ন দলের একাধিক প্রার্থীও অংশগ্রহণ করবেন। স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অনেক কোন্দলও রয়েছে।

তাদের মতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও) সংশোধন এনে সেনাবাহিনীকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংজ্ঞায় যুক্ত করা হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচন আইনে সেনাবাহিনীকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংজ্ঞায় যুক্ত করা হচ্ছে।এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘জেলা পরিষদ ছাড়া অন্য চারটি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের আইনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংজ্ঞায় সেনাবাহিনীকে যুক্ত করার প্রস্তাব করব। সংজ্ঞায় যুক্ত হলেই যে সেনাবাহিনী ব্যবহার করা হবে তা কিন্তু না।

পরিস্থিতি নিয়ে কোনো শঙ্কা থেকে যুক্ত করা হচ্ছে কি না প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমরা দিয়ে রাখলাম যদি প্রয়োজন হয়।’

তিনি বলেন, ‘দুই চিন্তা থেকেই রাখছি। প্রথম ধাপে নির্বাচন যদি ভালো হয়, তবে পরের ধাপে প্রয়োজন হবে না। প্রথম ধাপে নির্বাচনে যদি হোঁচট খাই, তবে পরের ধাপে যেন সেনাবাহিনী আমরা ডাকতে পারি। তখন আর কোনো প্রশ্ন থাকবে না। 

ইসি কর্মকর্তারা বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ৪২ হাজার ৭৬১টি কেন্দ্রে ১ লাখ ৩ হাজার সেনাসদস্য দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আইন-২০০৯ অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, ‘আইন প্রয়োগকারী সংস্থা’ অর্থ পুলিশ বাহিনী, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ান, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন, আনসার বাহিনী, ব্যাটালিয়ান আনসার, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ও কোস্টগার্ড। তবে নির্বাচন কমিশনের নতুন এ আইন সংশোধন হলে উল্লেখিত বাহিনীগুলোর সঙ্গে সশস্ত্র বাহিনীকেও স্থানীয় নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে মোতায়েনের আইনগত ভিত্তি তৈরি হবে।

পৌরসভার রোডম্যাপ অনুযায়ী, দেশের ৩৩০ পৌরসভার মধ্যে ৩২০টি নির্বাচন উপযোগী। আইনি জটিলতার কারণে ১০টি এখনো নির্বাচন উপযোগী নয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category