• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন
Headline
ইসরাইলের নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ, কত আসন পেল নেতানিয়াহুর দল? নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ফুটপাতে চাঁদাবাজি বন্ধে ওয়ার্ডভিত্তিক হকার ব্যবস্থাপনার প্রস্তাব ইউক্রেনে রাশিয়ার ড্রোন হামলায় নিহত ২০ বছরের শেষ নাগাদ পণ্যের দাম বাড়তে পারে ২৩ শতাংশ: বিশ্বব্যাংক জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে বকেয়া টাকা চাওয়ায় রেস্টুরেন্টে তালা লাগানোর অভিযোগ আজকের নামাজের সময়সূচি ঝুলে আছে নেতানিয়াহুর ভাগ্য, আরবরাই কিং মেকার বিইআরসির গণশুনানি ১২ কেজি এলপিজির দাম বাড়িয়ে ১৯৭৬ টাকা করার সুপারিশ বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মৃত্যু, হেফাজতে বন্ধু দীপ জাপান সফর শেষে ঢাকায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসনই এখন সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৭৮ Time View
Update : শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

শুক্রবার (১৭ জুলাই) লোহাগাড়া উপজেলার বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, প্রাথমিক হিসাবে দক্ষিণ চট্টগ্রামে প্রায় সাত লাখ মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তবে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। ইতোমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে ৪০ হাজার পরিবারকে চাল, ৭৫ হাজার পরিবারকে চাল-ডালসহ শুকনা খাবার এবং ৪০ হাজার পরিবারকে রান্না করা খাবার দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী এই সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, যাদের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের জন্য টিন সরবরাহ করা হচ্ছে। পাশাপাশি কৃষকদের ঘুরে দাঁড়াতে বীজ, সারসহ প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ দেওয়া হবে, যাতে তারা দ্রুত চাষাবাদে ফিরতে পারেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলোর ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়নের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মূল্যায়ন শেষে দ্রুত সংস্কারকাজ শুরু হবে।

বন্যার কারণ সম্পর্কে আমির খসরু বলেন, কোথাও রেললাইন, কোথাও অপরিকল্পিত স্থাপনা কিংবা পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা এবং অস্বাভাবিক ভারী বৃষ্টিপাত—সব বিষয়ই তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়নের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

একই দিন সাতকানিয়া উপজেলায় তামাকুমন্ডি লেইন বণিক সমিতির উদ্যোগে বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে খাদ্য ও জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, দুর্যোগের সময় সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত ও ব্যবসায়ী সমাজের ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তামাকুমন্ডি লেইন বণিক সমিতি যেভাবে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে, তা মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত এবং অন্যদেরও মানবিক উদ্যোগে উৎসাহিত করবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ও তামাকুমন্ডি লেইন বণিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম-৯ আসনের এমপি আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর এবং চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, তামাকুমন্ডি লেইনের ব্যবসায়ীরা সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে ছিলেন এবং ভবিষ্যতেও যেকোনো সামাজিক ও মানবিক সংকটে তাদের এই সহায়তা অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category