ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখে ফ্রান্স। একের পর এক আক্রমণে সুইডেনের রক্ষণকে ব্যস্ত রাখলেও প্রথম গোলের জন্য অপেক্ষা করতে হয় প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত। ৪৫ মিনিটে উসমান দেম্বেলের বাড়ানো বল থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে।
বিরতির পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে ফ্রান্স। ৫৩ মিনিটে মাইকেল অলিসের নিখুঁত অ্যাসিস্ট থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ব্র্যাডলি বারকোলা। এতে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইউরোপীয় পরাশক্তিরা।
৫৪ মিনিট পর্যন্ত ম্যাচের পরিসংখ্যানে ফ্রান্সের আধিপত্য ছিল স্পষ্ট। তারা ১৬টি শট নিয়ে ৭টি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয়েছে। বিপরীতে সুইডেনের শট মাত্র ৩টি এবং লক্ষ্যে ছিল একটি। বলের দখলেও এগিয়ে ফ্রান্স ৭১ শতাংশ বনাম ২৯ শতাংশ। পাশাপাশি ৯০ শতাংশ পাস সফলতার বিপরীতে সুইডেনের পাস সফলতা ৬৮ শতাংশ।







