গতকাল সোমবার দুপুরে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম ‘বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’ উদ্যাপন এবং ‘ডিনস ও ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মরহুম প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও মরহুম প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশের অনগ্রসর শিক্ষাব্যবস্থাকে অধিক গুরুত্ব সহকারে এগিয়ে নিয়েছিল। আমরা অত্যন্ত ভাগ্যবান যে, তাদের সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমানের মতো একজন প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি। তিনি শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন এবং দেশের ভবিষ্যত্ উন্নয়নে শিক্ষাকে প্রধান হাতিয়ার হিসেবে দেখছেন। একটি শিক্ষিত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রী নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এ স্থানে একটি বীজ বপন করেছিলেন। সেই বীজ আজ এ অঞ্চলের শিক্ষাকে আলোকিত করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণায় সব ধরনের সহযোগিতায় করার আশ্বাস দেন তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম রব্বানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহজাহান, নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে ৫১ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড এবং তিনজনকে ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।







