ছবি- মোজাম্মেল হক সোহেল
বাবা-মাকে মারধরের অভিযোগে নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোজাম্মেল হক সোহেলকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
আজ রোববার বারহাট্টা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল খায়ের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এরআগে গত বৃহস্পতিবার জাতীয়তাবাদী কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া
(দপ্তরের দায়িত্বে) স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তাঁকে বহিষ্কারের বিষয়টি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নৈতিক স্খলনজনিত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে মোজাম্মেল হক সোহেলকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এমপি ইতোমধ্যে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বহিষ্কৃত ব্যক্তির কোনো কর্মকাণ্ডের দায়-দায়িত্ব দল বহন করবে না। একই সঙ্গে যুবদলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
মোজাম্মেল হক সোহেল উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের তারা মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ মে শনিবার সন্ধ্যায় জমি লিখে না দেওয়ায় সোহেল বাবা-মাকে মারধর করেন। পরে তার বাবা-মা কান্নাজড়িত অবস্থায় বারহাট্টা উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে গিয়ে বিচার প্রার্থনা করেন। এাময় সেখানে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোস্তাক আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক আশিক আহমেদ কমলসহ অনেক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। নেতাদের সহায়তায় সোহেলের বাবা-মা জেলা বিএনপির সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. আনোয়ারুল হকের সঙ্গেও কথা বলেন। এ সময় তারা ছেলের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ধরেন বলে জানা গেছে। এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হলে পরে সোহেলকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।