মৌলভীবাজার ভাপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার দিয়ে চলছে জেলার ৭ টি থানা। ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপারের দায়ীত্ব পালন করছেন আসিফ মহিউদ্দীন। বেড়েছে খুন ছিনতাই,চুরি ও মাদকের দৌরাত্ম্য।
মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার মো: বিল্লাল হোসেন ৫ মে বদলী হন। পরে ৮ মে মো: রিয়াজুল ইসলাম যোগদান করেন। কিন্তু ৮ দিন পরে ১৫ মে তাকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। এরপর থেকে ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার দায়ীত্ব পালন করছেন। জেলায় দীর্ঘদিন ধরে পূর্ণাঙ্গ পুলিশ সুপার না থাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মাঝে। বর্তমানে জেলার ৭টি থানা নিয়ে গঠিত পুলিশ প্রশাসনের দায়িত্ব ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার আসিফ মহিউদ্দীন।
এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে জেলায় খুন, ছিনতাই, চুরি, মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকাসক্তদের বিভিন্ন অপরাধের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিশেষ করে শহর ও উপজেলা পর্যায়ে রাতের বেলায় ছিনতাই, সড়কে ডাকাতি, বাসাবাড়িতে চুরি, মাদক ব্যাবসায়ী ও মাদকাসক্তদের দৌরাত্ম্য এবং কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন সচেতন মহল।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনায় দ্রুত তদন্ত ও দৃশ্যমান পদক্ষেপের অভাব রয়েছে। অনেকেই বলছেন, স্থায়ী পুলিশ সুপার না থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রমে সমন্বয়হীনতা তৈরি হয়েছে এবং মাঠপর্যায়ে তদারকি কমে গেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে সদর, কুলাউড়া, শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ এলাকায় একাধিক ছিনতাই, হামলা ও চুরির ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সাধারণ মানুষ রাতের বেলায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান।
তবে ভারপ্রাপ্ত জেলা পুলিশ সুপার আসিফ মহিউদ্দীন বলেন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে।
সিলেট বিভাগের ডিআইজি মোবাইল ফোনে, ড. জিল্লুর রহমান বলেন, মৌলভীবাজার দায়ীত্ব প্রাপ্ত পুলিশ সুপারের সাথে সরাসরি দেখা করে বিষয় গুলো নিয়ে কথা বলেন। তিনি বিষয় গুলো দেখবেন।
সচেতন নাগরিকরা দ্রুত মৌলভীবাজার জেলায় একজন পূর্ণাঙ্গ পুলিশ সুপার নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন।