• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৯ অপরাহ্ন
Headline
টয়োটার প্রথম প্রাইভেট কারে উঠলেন প্রধানমন্ত্রী মদিনার যে স্থানে নবী কারিম (সা.) তিনটি দোয়া করেছিলেন সৌদি আরবে প্রবাসী শ্রমিকদের ওপর বর্বর নির্যাতন, মৃত্যুদন্ড ও শিরশ্ছেদ বন্ধ করুন শ্রমিক বিক্ষোভ সমাবেশে সাইফুল হক উৎসবমুখর পরিবেশে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন  ৫৫ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, দুদকের মামলায় সাবেক চেয়ারম্যানসহ ১০ জন মানবতাবিরোধী অপরাধে হানিফের মৃত্যুদণ্ড, অপর তিন আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড খাদ্যশস্য সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়াতে টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ করতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী সেবার মাধ্যমে সত্যিকার অর্থেই ‘জনগণের পুলিশ’ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাঁঠালিয়ায় শিশু-কিশোর সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি

শাটডাউনে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় অচল

বরিশাল ব্যুরো / ৫০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬

শিক্ষকদের কর্মসূচি

উপাচার্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

 শিক্ষকদের আন্দোলনের মুখে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাভাবিক কার্যক্রম। গতকাল সোমবার উপাচার্যকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছেন শিক্ষকরা।

পদোন্নতির দাবিতে শিক্ষকরা গত ২১ এপ্রিল থেকে আন্দোলন করছিলেন। সিন্ডিকেট সভায় বিষয়টির সমাধান হবে– এমন আশ্বাসে পাঁচ দিন আন্দোলন স্থগিত করেন তারা। গত শনিবার সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত নিজেদের পক্ষে না যাওয়ায় গতকাল সোমবার থেকে শাটডাউন কর্মসূচিতে যান শিক্ষকরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক সূত্র জানায়, আন্দোলনকারী শিক্ষকরা গতকাল সকাল ৯টায় প্রশাসন ভবনের নিচতলায় অবস্থান নেন। পরে বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরে গিয়ে রেজিস্ট্রারসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিস ছাড়তে বাধ্য করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিক্ষকরা বেলা ১১টার দিকে নিচতলা থেকে সরে গেলে উপাচার্য ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম তাঁর দপ্তরে যান। বিকেল পর্যন্ত তিনি নিজের দপ্তরেই ছিলেন। আন্দোলনকারীরা রেজিস্ট্রার, অর্থ বিভাগসহ অন্যান্য দপ্তরে তালা দিলেও উপাচার্যের অফিসে যাননি।

আন্দোলনকারী শিক্ষক ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা  বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক ড. ধীমান কুমার রায় বলেন, এ পরিস্থিতির জন্য উপাচার্য দায়ী। আমরা তাঁকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছি। উপাচার্যকে প্রশাসনিকভাবে কোনো সহযোগিতা করব না। শিক্ষকরা যেসব প্রশাসনিক পদে ছিলেন সেগুলো থেকে পদত্যাগ করেছেন। পদোন্নতির বোর্ড বসানোর ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও উপাচার্য বিষয়টি ঝুলিয়ে রেখেছেন। তাই আমরা আর তাঁকে প্রশাসনিক সহযোগিতা করব না।

দুপুরে উপাচার্য ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম তাঁর দপ্তরে সাংবাদিকদের বলেন, সব বিষয় আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যায়। শিক্ষার্থীদের ক্ষতি করে এ ধরনের আন্দোলন সমীচীন নয়।

ঘটনার শুরু যেভাবে
পদোন্নতি চাওয়া ৬০ শিক্ষকের দাবি, বেশির ভাগ শিক্ষকের দুই বছর আগে পদোন্নতির মেয়াদ পূর্ণ হয়েছে। এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কাউকে পদোন্নতি দেয়নি।
অন্যদিকে উপাচার্য দাবি করেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অভিন্ন পদোন্নতি নীতিমালা করেছে। জানুয়ারিতে তিনি এ সংক্রান্ত ইউসিজির চিঠি পেয়েছেন। এ নীতিমালা বাস্তবায়ন করতে হলে বরিশাল  বিশ্ববিদ্যালয়ের সভায় আইনের সংবিধি প্রণয়ন করতে হবে।

ইউজিসির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. জামিলুর রহমান সোমবার রাতে সমকালকে বলেন, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের আন্দোলনের কথা আমরা শুনেছি। এ বিষয়ে কাল বুধবার ইউজিসিতে সভা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category