• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন
Headline
কর্মদক্ষতার স্বীকৃতি, ট্রাফিক উত্তর বিভাগের কল্যাণ সভায় পুরস্কৃত হলেন সেরা পুলিশ সদস্যরা ঠাকুরগাঁও-১ উপ-নির্বাচন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীনের ভূমিধস জয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠক  ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের দাম অপরিবর্তিত থাকছে নোয়াখালীতে অস্ত্র তৈরির কারিগর গ্রেপ্তার, বন্দুক ও সরঞ্জাম উদ্ধার যুবদল আপনাদের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, ভাই: বিএনপি নেতাদের সহযোগিতার আহ্বান মুন্নার টয়োটার প্রথম প্রাইভেট কারে উঠলেন প্রধানমন্ত্রী মদিনার যে স্থানে নবী কারিম (সা.) তিনটি দোয়া করেছিলেন সৌদি আরবে প্রবাসী শ্রমিকদের ওপর বর্বর নির্যাতন, মৃত্যুদন্ড ও শিরশ্ছেদ বন্ধ করুন শ্রমিক বিক্ষোভ সমাবেশে সাইফুল হক উৎসবমুখর পরিবেশে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন 

‘আবু সাঈদের বুক চিতিয়ে দাঁড়ানো ছিল একটি জাতির ভয় জয়ের প্রতীক’

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৮৬ Time View
Update : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬

বর্তমান বাংলাদেশ সম্পাদিত

জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী

দুই হাত প্রসারিত করে অন্যায়ের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা শহীদ আবু সাঈদের সেই দৃশ্য গণতান্ত্রিক অধিকারবঞ্চিত একটি জাতির ভয় জয়ের প্রতীক হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে বুধবার (১৫ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই মুহূর্ত কেবল একটি ব্যক্তিগত সাহসিকতার ঘটনা ছিল না, বরং জাতির বিবেক জাগ্রত হওয়ার এক ঐতিহাসিক প্রতীক।

পোস্টে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে রংপুরে পুলিশের গুলিতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ এবং চট্টগ্রামে কলেজশিক্ষার্থী মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরামসহ কমপক্ষে ছয়জন শহীদ হন। তিনি উল্লেখ করেন, রংপুরে দুই হাত প্রসারিত করে পুলিশের সামনে বুক পেতে দাঁড়িয়ে থাকা আবু সাঈদের ওপর গুলি চালানোর দৃশ্য গণতন্ত্রকামী মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দেয় এবং কোটা সংস্কারের দাবির আন্দোলন পরবর্তীতে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়।

পোস্টে তারেক রহমান শহীদ আবু সাঈদ, শহীদ মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরামসহ ১৬ জুলাইয়ের সকল শহীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে তিনি গণঅভ্যুত্থানে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

তিনি বলেন, ১৬ জুলাই বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় সন্ধিক্ষণ।

‘এদিন রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন, প্রাণঘাতী শক্তির নির্মম প্রয়োগ এবং ভয়ভীতির রাজনীতির বিরুদ্ধে নিরস্ত্র অথচ অদম্য সাহসী বীর ছাত্র-জনতা যে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন, তা জাতির বিবেককে জাগ্রত করেছিল। বিশেষ করে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে দুই হাত প্রসারিত করে অন্যায়ের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা শহীদ আবু সাঈদের সেই অমলিন দৃশ্য কেবল একটি মুহূর্ত ছিল না; সেটি ছিল গণতান্ত্রিক অধিকারবঞ্চিত একটি জাতির ভয় জয়ের প্রতীক’— লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান আরও বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান শুধু একটি আন্দোলন ছিল না; বরং দীর্ঘদিনের ফ্যাসিবাদ, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, লুণ্ঠন, গুম, খুন, দমন-পীড়ন এবং ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে সমগ্র জাতির ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ ছিল। সেই আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের মানুষ নতুন করে তাদের মর্যাদা, অধিকার এবং গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা প্রতিষ্ঠার সুযোগ পেয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, শহীদদের পবিত্র আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষায় সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, শহীদদের রক্ত কখনো বৃথা যাবে না এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গঠনের প্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।

পোস্টের শেষাংশে তারেক রহমান বলেন, রাষ্ট্র ও সমাজে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যারা জীবন দিয়েছেন, তাদের আত্মত্যাগের পথ ধরেই দেশ গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। সকল নাগরিকের জন্য একটি নিরাপদ, মানবিক, স্বনির্ভর ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার মধ্য দিয়েই শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি যথার্থ সম্মান জানানো সম্ভব বলে তিনি উল্লেখ করেন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category