অধ্যক্ষ ইউনুছ আহমাদ বলেন, ‘স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দী পেরিয়ে গেলেও আমরা এখনো প্রকৃত স্বাধীনতার স্বাদ খুঁজে ফিরি। বন্ধু রাষ্ট্রের অবন্ধু সুলভ আচরণ আমাদেরকে হতাশ করছে। সাম্প্রতিককালে পুশইনের নামে নতুন এক ষড়যন্ত্রের শিকার আমরা। এ নিয়ে রাষ্ট্রকে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে।’
পুশইন ঠেকাতে বিজিবির রাতজাগা পাহারার প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, এমন সাহসী সন্তানেরাই একাত্তরে দেশ স্বাধীন করেছে এবং চব্বিশে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছে। আগামীদিনে দেশের বিরুদ্ধে যেকোনো চক্রান্ত মোকাবেলায় দেশপ্রেমিক সাহসী বীর সন্তানদের জাগ্রত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবুল কাশেমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক মাওলানা কেএম শরীয়াতুল্লাহ।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল ওয়াদুদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।







