মৌলভীবাজারে স্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এইচইডি) নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ের অফিস কক্ষে ব্যক্তিগত বাসস্থানের ও স্টোরুম হিসাবে ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, অফিসের উপ সহকারী প্রকৌশলী, উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী, সহকারী প্রকৌশলী তড়িৎ, উচ্চমান সহকারী প্রতি অফিস রুমের দরজায় লেইম প্লেইট লাগানো আছে। কিন্তু রুম গুলোর ভেতরের দৃশ্য ভিন্ন। কক্ষের ভিতরে খাট, আলমারি, টিভি, কাপড় চোপর, রান্নার সামগ্রীসহ গৃহস্থালি জিনিসপত্র রাখা রয়েছে। এছাড়া স্টোর রুমেও ব্যক্তিগত ব্যবহারের বিভিন্ন সামগ্রী দেখা গেছে। যেখানে সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে বিশাল অফিস নির্মান করে রেখেছন। এই অফিসের রুম ব্যবহার হচ্ছে বাসস্থান ও স্টোরুম হিসাবে। সরকারি অফিসের পরিবেশ দেখে মনে হয় না এটি একটি সরকারি দপ্তর। কক্ষ গুলোর ভেতর অফিসারের রুম মনে করে ঢোকলে মনে হবে কোন বাসায় ভুল বশত হয়তো প্রবেশ করা হয়েছে। রুম গুলো ব্যবহার হচ্ছে বাসস্থানের মতো। এতে অফিসের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন?

স্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এইচইডি) এর নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, এখানে অফিসের স্যার তার পরিবার নিয়ে আসবেন। তাই মালামাল রেখে এখানে থাকেন।
মৌরভীবাজার স্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এইচইডি) নির্বাহী কর্মকর্তা প্রশান্ত দেব নাথ মোবাইল ফোনে বলেন, এই সমস্ত আসবাব পত্র নিচে কাজ করে কিছু লোক তাদের। আর এখানে টিভি থাকার কথা না। আমি এখন সাইডে যাচ্ছি। এসে দেখতেছি বলেই কথা শেষ করার আগেই সংযোগ কেটে দেন।
এদিকে সচেতন মহল বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।