• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন
Headline
নলডাঙ্গায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত, গুরুত্ব পেল জনসচেতনতা যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী মাহমুদুল আলমের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার, সেলাই মেশিন ও ক্রাচ বিতরণ সান্তাহার পৌর যুবদলের উদ্যোগে নানা আয়োজনে ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দুই বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি  বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে সুইজারল্যান্ডের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী  বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী জাপান উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা সাড়ে ৪ লাখ মেট্রিক টনের বেশি  

বাসস / ১২৬ Time View
Update : শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় এ বছর ৩৭ হাজার ৪৮৭ হেক্টর জমিতে আমের চাষ হয়েছে। ছবি : বাসস

 জেলায় এ বছর আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ লাখ ৫৮ হাজার ৯১২ মেট্রিক টন। এই লক্ষ্যমাত্রা গত বছরের তুলনায় ৯১২ মেট্রিক টন বেশি।

জেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় এ বছর ৩৭ হাজার ৪৮৭ হেক্টর জমিতে আমের চাষ হয়েছে। আর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ লাখ ৫৮ হাজার ৯১২ মেট্রিক টন। গত বছর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪ লাখ ৫৮ হাজার মেট্রিক টন।

জানা যায়, এ বছর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ম্যাংগো ক্যালেন্ডার নির্ধারণ করা হয়নি। গাছে আম পাকা দেখা দিলেই অর্থাৎ আম পরিপক্ব হলেই বাজারজাত করা যাবে। গত ১৪ মে (বৃহস্পতিবার) থেকে জেলার কয়েক জায়গায় গুটি জাতের এবং গোপালভোগ জাতের পাকা আম পাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আম চাষিরা আশা করছেন, ২০ মে থেকে ২৫ মের মধ্যে গুটি এবং গোপালভোগ জাতের আম হারভেস্টিং শুরু হবে।

জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার আম চাষি মনিরুল ইসলাম বলেন, আর পাঁচ থেকে ছয় দিন পর আমার বাগানে আম পাড়া শুরু করতে পারবো। এ বছর আবহাওয়া কিছুটা খারাপ, তারপরও বাগানে আম ভালোই এসেছে। তবে তিনি আমের ওজন এবং ন্যায্য মূল্য নিয়ে অভিযোগ করে বলেন, আমরা যারা প্রান্তিক পর্যায়ে আম চাষ করি তারা বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকি। যেখানে ৪০ কেজিতে ১ মন হওয়ার কথা, সেখানে জায়গা ভেদে ৫০ থেকে ৫৫ কেজিতে ১ মনের ওজন দিতে হয়। এছাড়া প্রান্তিক পর্যায়ের চাষি যে আম ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি করে, ঐ আম ঢাকাসহ অন্যান্য জায়গায় গিয়ে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। এখানে খুচরা বিক্রেতারা অনেক বেশি লাভ করে কিন্তু আম চাষিরা তাদের ন্যায্য মূল্য পায় না।

আম চাষি মনিরুল ইসলাম চাষিদের আমের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকসহ সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

জেলার সর্ববৃহৎ কানসাটে আম বাজারের আড়তদার বাবুল মেম্বার বাসসকে বলেন, আম কেনার জন্য আড়ত ঠিকঠাক করেছি। আশা করছি ২০ মে তারিখের পর থেকে টুকটাক আম ক্রয় করা শুরু করবো।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ ড. ইয়াছিন আলী জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় এবছর ৩৭ হাজার ৪৮৭ হেক্টর জমিতে ৪ লাখ ৫৮ হাজার ৯১২ মেট্রিক টন আম উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের আবহাওয়া, মাটির গুণাগুন ও ভৌগোলিক কারণে দেশের অন্যান্য জেলার তুলনায় এখানকার আম সুস্বাদু। তবে অন্যান্য জেলার তুলনায় এখানে আম কিছুটা দেরিতে পাকে।

ড. ইয়াছিন আলী বলেন, সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন বাগানে গিয়ে দেখা গেছে খুব শীঘ্রই আম পাকতে শুরু করবে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু ছালেহ মো. মুসা জানান, ভোক্তাদের কাছে নিরাপদ আম পৌঁছে দিতে এবং বাজারজাতকরণে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা থাকবে।

তিনি বলেন, গত ১১ মে একটি মতবিনিময় সভায় আম চাষিদের সম্মতিতে এবছর আম পাড়ার জন্য কোনো ক্যালেন্ডার নির্ধারণ করা হয়নি। গাছে আম পাকলেই বাজারে বিক্রি করা যাবে। আম চাষিদের সুবিধার্থে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া আমের ওজন নিয়ে দীর্ঘদিনের জটিলতা নিরসনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনার কথাও তিনি বাসসকে জানান।

facebook sharing button


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category