মির্জা ফয়সল আমিন বলেন, ‘আমি বিজয়ী হলে সারা জীবন আপনাদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকব। আমার পরিবার কিংবা আমি আজ পর্যন্ত ঠাকুরগাঁওয়ের কারও ক্ষতি করিনি, ভবিষ্যতেও কারও ক্ষতি চাই না। এমনকি আমার চরম শত্রুরও ক্ষতি চাই না। ছোটবেলা থেকেই এই মানসিকতা নিয়ে বড় হয়েছি। জাতি, ধর্ম ও বর্ণনির্বিশেষে সব মানুষের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই।’
তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁওকে বৈষম্যহীন ও ইসলামি মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ একটি সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের সমাজ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এ ক্ষেত্রে আলেম-ওলামাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তাঁরা কোরআন-হাদিসের আলোকে মানুষকে সঠিক পথের দিকনির্দেশনা দেন। ইসলামের অপব্যাখ্যা কিংবা অপব্যবহার করে কেউ যেন রাষ্ট্রের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।
বিএনপির এই প্রার্থী বলেন, ‘আমি সরকারি দলের একজন প্রার্থী হিসেবে সরকারের সম্মান, রাষ্ট্রপতির সম্মান ও দেশের সম্মান রক্ষার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে চাই। এ ক্ষেত্রে আপনাদের সহযোগিতা আমার সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।’
ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মির্জা ফয়সল আমিন বলেন, তাঁরা এমন একটি শহর গড়ে তুলতে চান, যেখানে মানুষের জীবনের অর্থনৈতিক, সামাজিক, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ঠাকুরগাঁওকে একটি স্বপ্নের সমাজ হিসেবে গড়ে তুলতে নিজের সর্বশক্তি দিয়ে কাজ করবেন। এ জন্য আলেম-ওলামাসহ সর্বস্তরের মানুষের দোয়া ও সমর্থন চান তিনি। একই সঙ্গে আসন্ন উপনির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।







