ছবি: সংগৃহীত
শহীদ সাবেক রাষ্টপতি বহুদলীয় গণতন্ত্র উত্তরণের প্রবর্তক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রানিত সৈনিক শেখ গোলাম মোর্শেদ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলা পেড়লী ইউনিয়নের একজন ত্যাগী নেতা।
আগামী স্হানীয় সরকারের আওতায় কালিয়া উপজেলার ঐতিহ্য বাহী পেড়লী ইউনিয়নে সম্ভব চেয়ারম্যান প্রার্থী দের মধ্যে গোলাম মোর্শেদ সাংবাদিকদের সাথে পেড়লী খানকা শরিফের সামনে চিত্রা নদীর তীরে দাঁড়িয়ে কথোপ্যকথন কালে বললেন, আমি আগামী স্হানীয় সরকারের আওতায় কালিয়া উপজেলার ঐতিহ্য বাহী পেড়লী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মনোনয়ন প্রাপ্ত হয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চাই। ২০১৭ সালে দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্ত হয়ে এবং নড়াইল জেলা বি এন পি র দুঃসময়ের কান্ডারী গণমানুষের নেতা বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলমের অনুপ্রেরণায় আমি প্রার্থী হয়েছিলাম। সে সময়ে আমি দলীয় মনোনয়ন না চেয়ে ও পেয়ে ছিলাম। দলীয় মনোনয়ন চেয়ে ছিলেন ইউনিয়ন বি,এন পি র সভাপতি /সেক্রেটারি সহ কয়েকজন, তবে সেই সময় তারা কেউ নির্বাচন করতে চান নাই, ঠিক তখন কালিয়া উপজেলা বিএনপি সহ সভাপতি নজরুল সাহেব আমাকে চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করার প্রস্তাব করেলে, আমি রাজি হই। আমি জানতাম এ সময় আমি বিজয় অর্জন করলে ও চেয়ারম্যান হিসাবে বিজয়ী ঘোষণা করতে দেবে না, এত বড় সত্য কে মেনে নিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দলের পক্ষে আমি ধানের শীষ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করি। আমার প্রাপ্ত ভোট হয় ১৭৭৯,। ৭,৮,ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে আমি জয়ী হই। ভোট চাইতে আমি রাস্তায় নামতে পারিনাই শত বাধার সন্মূখিন হয়ে ভোট প্রার্থনা করি, প্রশাসন দিয়ে আমাকে যথেষ্ট পরিমান হেরাজ করা হয়েছে। পরিশেষে আমার ছেলে পুত্রবধূ দুইটা মেয়ে আর আমার স্ত্রী ,, আমার ভাইপো সহ হাতেগোনা কিছু কর্মী ভোট চেয়েছেন।আর আমার কিছু আত্নীয় স্বজন দেশের সব চেয়ে বড় দল জাতীয়তাবাদী দলে প্রতীক ধানের শীষের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করে।
দলীয় নেতা কর্মি ও সমর্থক দের বলেছিলাম যে তোমরা আমাকে বিজয়ী করার জন্য ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিও প্রকাশে এসো না গোপনে ভোট দিও।
আমার মতো আরও অনেকে দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সে সময় নির্বাচন করে দলের কঠিন তম সময়ের দলীয় সিদ্ধান্ত কে বাস্তবন করার চেষ্টা করেছে,
কালিয়া উপজেলা বিএনপি র সুযোগ সাধারণ সম্পাদক স ম ওয়াহিদুজ্জামান মিলু সাহেব কে ২ বার মনোনয়ন দেওয়া হয় তিনি দল মত নির্বিশেষে মানুষের মধ্যে বড় ধরনের একটা গ্রহণ যোগ্য প্রার্থী ছিলেন, তার বিজয়ের পথ কিভাবে প্রতিহিংসার চাদরে মুড়ে দেওয়া হয়ে ছিল সে বিষয় কিন্তু সকলের কাছে প্রতিীয়মান।
আমার দৃঢ় বিশ্বাস নড়াইল জেলা বি এন পির সভাপতি ও নড়াইল ১ আসনের সংসদ সদস্য বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম সার্বিক বিবেচনা করে আমাকে মনোনয়ন দিলে আমি বিজয়ী হব ইনশাআল্লাহ।
আমার বয়স ৭৩, তাই আমাকে শেষ মুহূর্তে একবার প্রার্থী হওয়ার সুযোগ দিয়ে দেশ দল ও এই জনপদের মানুষের খেদমত করার সুযোগ দিবেন। আমার পক্ষে হয় তো আর সম্ভব নয়। আমাকে সুযোগ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।