জহুরুল ওই এলাকার মো. ইনছারের ছেলে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, ঘটনার পর জহুরুল বাড়ি থেকে বের হয়ে স্থানীয় বাজারে যান। সেখানে গিয়ে তিনি লোকজনকে বলতে থাকেন, ‘আমাকে পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে দাও।’ তার কথায় সন্দেহ হলে কয়েকজন দ্রুত তার বাড়িতে যান। তারা ঘরে প্রবেশ করে চৌকির ওপর স্ত্রীকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পাশে তাদের এক বছরের শিশু জায়ান কান্না করছিল। মায়ের রক্তে শিশুর শরীরও রক্তাক্ত হয়ে যায়। স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেন।
এদিকে ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছেন অভিযুক্ত জহরুল।
বাঘা থানার ওসি সেরাজুল হক বলেন, ‘ঘটনা শোনার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। নিহতের প্রকৃত কারণ জানা যায়নি। পলাতক ব্যক্তিকে খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।’