লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় এক ইউপি সদস্যকে প্রকাশ্যে লাঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে সদ্য বহিস্কৃত কৃষকদল নেতার স্ত্রীর বিরুদ্ধে।
শনিবার(২৯ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার চলবলা ইউনিয়নের দুহুলী বাজারে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ তুলেন লাঞ্চিত ইউপি সদস্য আব্দুল করিম। তিনি ওই ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের সদস্য।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ইউপি সদস্য আব্দুল করিম বলেন, গত ২৮ আগস্ট সকালে কাজে বের হলে তার প্রতিবেশি সদ্য বহিস্কৃত চলবলা ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি শাহ আলমের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম আমার পথরোধ করে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ ও পোশাক ছিড়ে দেয়। কিছু বুঝে উঠার আগেই ওৎপেতে থাকা তার ছেলে মেহেদি হাসান লাঠি নিয়ে এসে বেধড়ক মারপিট করে লাঞ্চিত করেন।পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পরিস্থিতি শান্ত করে।
ইউপি সদস্য আব্দুল করিম বলেন, গত ১৯ আগস্ট কৃষকদল নেতা তার এক প্রতিবেশি প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরবাড়ি ভাংচুর করেন। এ ঘটনায় ওই প্রবাসীর স্ত্রী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। কৃষকদল নেতার এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে এবং দল থেকেও তাকে বহিস্কার করা হয়। প্রবাসীর স্ত্রীর দায়ের করা মামলাটিতে ইউপি সদস্যের হাত রয়েছে এমন অনুমান থেকে তার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে লাঞ্চিত করা হয়েছে বলে দাবি করেন ইউপি সদস্য।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চলবলা ইউপি সদস্য নুরল হক, সংরক্ষিত সদস্যা পেয়ারী বেগম, পলাশী ইউপি’র সাবেক সদস্য মজিবর রহমান ও শাহ আলমের মামলার বাদি প্রবাসীর স্ত্রী রুজিনা বেগম।
অভিযোগ অস্বীকার করে কৃষকদল নেতার স্ত্রী মনোয়ারা বেগম বলেন, আমি একজন মহিলা হয়ে পুরুষের শরীরে হাত তুলতে পারি না। বরংচ ইউপি সদস্যই বুদ্ধি দিয়ে আমার স্বামীকে জেলে পাঠিয়েছে। সত্য কখনো গোপন থাকে না, একদিন প্রকাশ হবে।
কালীগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সিদ্দিক বলেন, ইউপি সদস্যের অভিযোগটি পেয়েছি, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।