স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি বলেছেন, চলতি অর্থ বছরের মধ্যে সিটি করপোরেশন, ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভাসহ ৫টি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি আরও বলেন, পর্যটন নগরীর জন্য ১ হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নেয়া হচ্ছে। বর্তমান সরকার জাতীয় উন্নয়নের মূল ধারায় মৌলভীবাজারকে ফিরিয়ে আনতে সমন্বিত পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে।
১৪ আগস্ট শুক্রবার দুপুরে মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য নির্মিত ভবন তৈরির কাজ, শহরের ময়লার ভাগাড় স্থানান্তরসহ রাধানগর মহাজিরাবাদ রাস্তার কাজ পরিদর্শন করতে এসে এ কথা গুলো বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিল্পায়ন, শিক্ষা, যোগাযোগ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং কর্মসংস্থান সব ক্ষেত্রেই পর্যটন নগরী মৌলভীবাজারকে নতুনভাবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এর বাইরেও একটা চলমান রাস্তার কাজ আমি পরিদর্শন করে আসছি। পরিচ্ছন্ন কর্মীদের জন্য একটা ভবন নির্মাণ হচ্ছে, সেটাও আমি পরিদর্শন করব। এই মাঠেই কিছুদিন আগে আমাদের বাংলাদেশের সবচাইতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বক্তব্য দিয়ে গেছেন। এই মাঠ নিয়ে কী পরিকল্পনা সরকারের, সেটা ইতিমধ্যেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে আমি নির্দেশনা দিয়েছি যে, মাঠের একদম ওই পাশটা সিনিয়র সিটিজেনরা যাতে সুন্দর মনোরম পরিবেশে বসে বিকালবেলাটা সন্ধ্যা পর্যন্ত যাতে উপভোগ করতে পারে, এরকম একটা পরিবেশ তারা করে দেবেন।
তিনি আরো বলেন, আর এই শিশু উদ্যানটি আমি পরিদর্শন করলাম। শিশু উদ্যানে বয়স্ক লোকদের এবং সব ধরনের পেশাজীবীদের হাঁটার-চলাচলের একটা ওয়াকওয়ে, বাচ্চাদের খেলাধুলার আইটেম এবং সবসময় এটা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখবার ব্যবস্থা করবেন। আর একটা বিল্ডিং যেটা রয়েছে, আমি ওনাকে বললাম যে এই বিল্ডিংয়ে পৌরসভার পক্ষ থেকে একটি ইংলিশ ভার্সন স্কুল চালু করা যায় কিনা। যেটিনট এ ইংলিশ মিডিয়াম, বাংলা মিডিয়াম, ইংলিশ ভার্সন। এটা প্রয়োজন আছে, কারণ আপনাদের এই অঞ্চলের অনেক ফ্যামিলি লন্ডন থাকে, দেশের বাইরে থাকে। তাদের পরিবারের বাচ্চারা যদি এখান থেকে ছোটবেলা থেকে ইংলিশ ভার্সনে পড়াশোনা করতে পারে, তাহলে এটা পারিবারিকভাবে, সামাজিকভাবে তারা উপকৃত হবে। এই বিষয়গুলোর জন্য আমি ইউএনওকে বাজেট দিতে বলেছি এবং উনি যে বাজেট দেবেন, শ্রীমঙ্গলবাসীর সম্মান রেখে আমি পুরো বাজেটই এখানে বরাদ্দ করব, ইনশাল্লাহ।
এসময় অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী, জেলা পরিষদের প্রশাসক মিজানুর রহমান, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফয়জুল করিম ময়ুন, কানাডা বিএনপির সাবেক সভাপতি ফয়সল আহমদ চৌধুরী ও সরফরাজ আলী সরফুসহ প্রশাসন ও স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ।