শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সরকারের পক্ষ থেকে কিংবা বঙ্গভবন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো না হলেও একথা এখন মানুষের মুখে মুখে। কী প্রক্রিয়ার পদত্যাগ করেন একজন রাষ্ট্রপতি? আর পদত্যাগ করলে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির পদে কে আসীন হবেন?
রাষ্ট্রপতি নিজে থেকে পদত্যাগ না করলে তাকে সরানো একটি জটিল প্রক্রিয়া। তবে দেখা যায় ইমপিচমেন্টের আশঙ্কা থাকলে রাষ্ট্রপতি নিজে থেকেই পদত্যাগ করেন। সাবেক রাষ্ট্রপতি একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী নিজ দলের আস্থা হারালে ইমপিচমেন্টের ভয়ে মাত্র ৭ মাস ৭ দিন দায়িত্ব পালন করে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন। ২০০১ সালের ১৪ নভেম্বর বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন এবং নিজ দল বিএনপির তীব্র চাপের মুখে ২০০২ সালের ২১ জুন পদত্যাগ করেন।
রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতে চাইলে তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে তার পদত্যাগপত্র জমা দিবেন। বাংলাদেশ সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতিতে স্পিকার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত এ পদে দায়িত্ব পালন করবেন তিনি।
এর আগে ২০০২ সালের ২১ জুন থেকে ৬ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে তৎকালীন স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন।