সরকার আগের মতো আন্দোলন দমনের পথে যেতে চায় না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলছিলেন, ‘বাংলাদেশের পুলিশ আর কখনো হাসিনার পুলিশের মতো হবে না। আমি নাগরিক হিসেবে বলছি, সরকারে থাকা মানুষ হিসেবে বলছি না।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোথাও কোথাও অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলপ্রয়োগের ঘটনা দেখা গেছে উল্লেখ করে জাহেদ উর রহমান বলেছেন, ‘এর মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়াতে আপনারা হয়তো দেখেছেন, কোথাও কোথাও ডিসপ্রপোশনেট বলপ্রয়োগের ঘটনা ঘটেছে। তবে যে কথাটা বলতে চেয়েছি, আগে যেভাবে এগুলো দমন করার চেষ্টা করা হয়েছে, এই সরকার সেভাবে চাচ্ছে না। কারণ, দিনের শেষে আমরা কিশোর গ্যাং বলি বা অন্য কাউকে বলি না কেন, তারা এই রাষ্ট্রের নাগরিক।’
আন্দোলনকারীদের বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য থাকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ‘গোয়েন্দা তথ্য আছে এবং সেটা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন বলেছেন, এটা কীভাবে হচ্ছে? এর সবকিছুই সেই বাহিনীর কাছে আছে। কিন্তু আমরা এটাকে এমনভাবে করতে চাই, যেন জনগণের ওপরে খুব কম ভয়-ক্ষতি হয়, খুব কম সমস্যা হয়।’
পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বললেন, ‘জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি ও জ্বালানির দাম বাড়ার কারণে শ্রমিকদের জীবন কঠিন হয়ে উঠেছে। শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সরকার আগেই নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। আমরা আশা করি, খুব অল্প সময়ের মধ্যে এটা শেষ হবে। কারণ, প্রাথমিকভাবে কিন্তু শ্রমিকরাও মাঠে নেমেছিলেন, তাদের কিছু ন্যায্য দাবি ছিল। এখন যেহেতু কমিশন তৈরি হয়েছে, আমরা আশা করি তাদের আমরা বোঝাতে পারব।’
শ্রমিকদের আন্দোলন কেন্দ্র করে অন্য কোনো গোষ্ঠী অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে কি না— এমন প্রসঙ্গে জাহেদ উর রহমান বলেছেন, ‘আমাদের পোশাকশ্রমিকরা মাঠে নেমেছেন, সেটার ভেতরে ঢুকে অন্যরা এ কাজটি করছে। তারা না নামলে এ সমস্যা হয় না।’