মোর্তজাভি সতর্ক করে বলেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর আরেকটি মার্কিন হামলার ঝুঁকি খুব বাস্তব। তিনি জানান, ইরানের সামরিক নীতি ও বক্তব্যে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। দেশটির কর্মকর্তারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, নতুন করে হামলা হলে তেহরান আর আগের মতো সংযম দেখাবে না, বরং দ্রুত ও আগ্রাসী জবাব দেবে, যা যুদ্ধের পরিধি ও তীব্রতা বাড়িয়ে তুলতে পারে।
অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি শান্ত করতে উদ্যোগী হয়েছে চীন। ১৯৭৮ সালে চীনের সঙ্গে ওমানের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পর প্রথমবারের মতো বেইজিং সফর করছেন দেশটির রাষ্ট্রপ্রধান সুলতান হাইথাম বিন তারিক। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই অঞ্চলকে পরাশক্তিগুলোর প্রভাব বিস্তারের যুদ্ধক্ষেত্র না বানানোর আহ্বান জানিয়েছেন। দুই নেতাই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে নিরাপদ চলাচল এবং সংঘাতের কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দেন।
চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী বাঘেরি কানির সঙ্গে সাক্ষাতে বলেন, সংঘাত দীর্ঘায়িত হচ্ছে এবং আলোচনার মাধ্যমেই এর সমাধান সম্ভব। চীন চলতি মাসেই ইরান, ওমান ও সৌদি আরবে তাদের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে। ওমানও এই অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী স্থিতিশীলতা আনতে বেইজিংয়ের বৃহত্তর ভূমিকাকে স্বাগত জানিয়েছে।







