• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৯ অপরাহ্ন
Headline
সমাবেশে বাম নেতারা মার্কিন চুক্তিতে শুধু দেশ নয়, বিক্রি করা হচ্ছে সার্বভৌমত্বও প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে কারিগরি ত্রুটি, তদন্ত কমিটি গঠন বিমানের প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে উন্নয়ন ও বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব জোরদার হয়েছে : হুমায়ুন ঝালকাঠিতে জামায়াতে ইসলামী পৌর শাখার কর্মী শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার ও বিকল্প অর্থায়নে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ অবিস্ফোরিত ১৩টি উদ্ধার রাজধানীর কলাবাগানে ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৪ কাঁঠালিয়ায় শর্টবার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন ফ্রেন্ড সার্কেল একতা ক্লাব নড়াইল জেলার কালিয়ায় কুপনভিত্তিক মিড-ডে-মিল চালুর প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত গিগালজি আয়োজিত টেকনোপ্রিনিউরশিপ ব্যাচ ২-এ চ্যাম্পিয়ন ‘টিম আশা’ ছেলের মুখ দেখতে গিয়ে গ্রেপ্তার ও ক্রসফায়ারের মুখোমুখি হয়েছিলাম’ —জাকির হোসেন উজ্জ্বল।

সমাবেশে বাম নেতারা মার্কিন চুক্তিতে শুধু দেশ নয়, বিক্রি করা হচ্ছে সার্বভৌমত্বও

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৪ Time View
Update : শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬

  • চুক্তি বাতিলসহ চার দফা দাবিতে দুই মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা
  • ডিসেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে যাত্রা

ছবি: বর্তমান বাংলাদেশ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত বাণিজ্য চুক্তি এবং চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে ইজারা দেওয়ায় কঠোর সমালোচনা করেছেন বামপন্থী নেতারা। তাদের অভিযোগ, এসব চুক্তির মাধ্যমে হুমকির মুখে পড়তে পারে দেশের জাতীয় স্বার্থ, অর্থনীতি, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বও। অবিলম্বে এসব চুক্তির বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তারা।

এদিকে সমাবেশ থেকে মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিল, চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল বিদেশি কোম্পানির কাছে ইজারা দেওয়ার চুক্তি বাতিলসহ চার দফা দাবিতে আগামী নভেম্বর ও ডিসেম্বর দুই মাসব্যাপী দেশজুড়ে আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন তারা।

আজ শুক্রবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট আয়োজিত কেন্দ্রীয় সমাবেশে এসব দাবি ও কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। সমাবেশে অংশ নেন জোটভুক্ত বিভিন্ন দলের কয়েক হাজার নেতাকর্মী। উপস্থিত ছিলেন—অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষক আনু মোহাম্মদ, সিপিবির সাবেক সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান খান, মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, মোহাম্মদ শাহ আলম ও বাসদের উপদেষ্টা খালেকুজ্জামান।

সমাবেশে জোটের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)-এর সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশিদ ফিরোজ বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার জাতীয় নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে, গত ৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘রেসিপ্রোকাল ট্রেড এগ্রিমেন্ট’ নামে একটি অসম ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী বাণিজ্য চুক্তি করেছে। বর্তমান বিএনপি সরকার সেই চুক্তি বাতিল না করে বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে।

বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নও তুলেছেন তিনি। বললেন ‘সংসদের বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি এবং তাদের ১১-দলীয় জোটও চুক্তিটির বিরোধিতা না করে উল্টো সমর্থন দিচ্ছে।’

০৮ অক্টোবর ২০২৬

‘অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছিলেন, বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপিসহ সংশ্লিষ্ট দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতেই চুক্তিটি করা হয়েছে। অথচ এখন বিএনপি সরকার বলছে, আগের সরকার চুক্তি করে যাওয়ায় তা বাতিল করা সম্ভব নয়’চুক্তি হওয়ার পরও বাতিলের নজীর আছে উল্লেখ করে মালয়েশিয়ার উদাহরণ দেন বজলুর রশীদ। ‘মালয়েশিয়াও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করেছিল। কিন্তু গত ২০ ফেব্রুয়ারি মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের শুল্ক আরোপকে অবৈধ ঘোষণা করার পর মালয়েশিয়া সেই চুক্তি বাতিল করেছে। ভারত ও ইউরোপের দেশগুলোও এখন পর্যন্ত এ ধরনের চুক্তি করেনি। অথচ বাংলাদেশ চুক্তি করে তা বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে।’

বাণিজ্য চুক্তির বিভিন্ন শর্তের ‘ফাঁদে’ দেশ

বাণিজ্য চুক্তির বিভিন্ন শর্তের সমালোচনা করে বাসদ সাধারণ সম্পাদক বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ২৫টি বোয়িং বিমান কেনার জন্য ৭৮ হাজার কোটি টাকার চুক্তি করেছে সরকার। এসব বিমানের মূল্য এখন থেকেই পরিশোধ করতে হবে, অথচ প্রথম বহর দেশে আসবে ২০৩১ সালে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, প্রতি টনে অতিরিক্ত প্রায় ৯ হাজার টাকা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম কিনতে হবে। ইতিমধ্যে ১ লাখ ২৫ হাজার টন গম কেনা হয়েছে।

সাবেক খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদারে সাক্ষাৎকারে দেওয়া তথ্যর বরাত দিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, চুক্তি স্বাক্ষরের আগেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম কেনার জন্য ঋণপত্র (এলসি) খোলার বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে নোট পাঠানো হয়েছে।

‘আগামী ১৩ বছর ধরে ৭১ হাজার কোটি টাকার এলএনজি কেনার প্রস্তাবও মন্ত্রিসভা কমিটিতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তুলা, সয়াবিন, রাসায়নিক পণ্য, সামরিক সরঞ্জাম, মাছ, মাংস ও ফলমূলসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য যুক্তরাষ্ট্র থেকে কিনতে বাধ্য হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ওষুধের জেনেরিক পেটেন্টের মূল্য পরিশোধের বাধ্যবাধকতা তৈরি হলে দেশের ওষুধশিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’

চুক্তির আরেকটি শর্তকে দেশের ‘নিরাপত্তায় হুমকি’ হিসেবে উল্লেখ করে বজলুর রশীদ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যেসব দেশের ওপর অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, সেসব দেশের সঙ্গে মার্কিন অনুমতি ছাড়া বাংলাদেশ ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারবে না বলে চুক্তিতে উল্লেখ রয়েছে। এ ধরনের শর্ত দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল ইজারা দেওয়ার উদ্যোগের বিরোধিতা করে বজলুর রশিদ ফিরোজ বলেন, বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রায় ৯৪ শতাংশ চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। দেশের অর্থনীতির এই গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। ১৯৯৮ সালে কর্ণফুলী এলাকায় মার্কিন কোম্পানি এসএসএর কাছে ১৯৯ বছরের জন্য টার্মিনাল ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ আন্দোলন ও আদালতের রায়ের মাধ্যমে প্রতিহত করা হয়েছিল।

০৪ মার্চ ২০২৬

তিনি বলেন, ২০২৩ সালে শেখ হাসিনা সরকার পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান রেড সি গেটওয়েকে ইজারা দেয়। পরে অন্তর্বর্তী সরকার এনসিটি, লালদিয়ার চর, পানগাঁও ও সিসিটি টার্মিনাল ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ নেয়। বর্তমান সরকারও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে এনসিটি ইজারা দেওয়ার চুক্তি করেছে।ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে মার্কিন নৌবাহিনীর চুক্তির প্রসঙ্গ তুলে আশঙ্কা প্রকাশ করলেন এই বাম নেতা। ‘প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত বিভিন্ন বন্দরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ প্রবেশ, মেরামত ও জ্বালানি নেওয়ার সুযোগ পেতে পারে। এতে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে পারে।’

ফুলবাড়ীতে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লাখনি নির্মাণের উদ্যোগের বিরোধিতা করে তিনি বলেন, ২০০৬ সালে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এ উদ্যোগ প্রতিহত করা হয়েছিল। সে সময় বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় ছিল। জীবন দিয়ে মানুষ সেই উদ্যোগ প্রতিহত করেছিল। এখন আবার একই উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা চলছে।

সরকারকে অতীত থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অন্যথায় এর পরিণতি ভালো হবে না।

‘শুধু দেশ নয়, বিক্রি করা হচ্ছে সার্বভৌমত্বও’

এনসিটি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়ায় ‘সার্বভৌমত্ব হুমকি মুখে’ উল্লেখ করে সিপিবি সভাপতি সাজ্জাদ জহির বলেন, এখন শুধু দেশ নয়, সার্বভৌমত্বও বিক্রি করা হচ্ছে। সমুদ্র, নদী-নালা, এমনকি সুন্দরবন পর্যন্ত বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বাসদ (মার্কসবাদী)-এর কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক মাসুদ রানা বলেন, মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির ফলে ওষুধের দাম বৃদ্ধি, দেশীয় শিল্পের ক্ষতি এবং বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরির আশঙ্কা রয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান উল্লেখ করে তিনি বলেন, ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিনিয়োগ ও কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। বন্দরটি বাংলাদেশের কৌশলগত সম্পদ। ফলে এ-সংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্তের সঙ্গে দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন জড়িত।

বাংলাদেশের সাম্যবাদী আন্দোলনের সমন্বয়ক শুভ্রাংশু চক্রবর্তী বলেন, বিদেশি চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থার ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে বন্দর ও অন্যান্য কৌশলগত সম্পদের ব্যবস্থাপনায় জাতীয় স্বার্থ কতটা সুরক্ষিত থাকছে, তা পর্যালোচনা করা জরুরি। স্টারলিংকসহ কৌশলগত প্রযুক্তি এবং গোয়েন্দা উপগ্রহ স্থাপনের মতো বিষয় নিয়েও আলোচনা হওয়া প্রয়োজন। এসব উদ্যোগ দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বে কী প্রভাব ফেলবে, তা খতিয়ে দেখতে হবে।

বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা থেকে সরে এসে দেশের শাসকগোষ্ঠী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতি ও ভূরাজনৈতিক অবস্থানকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে। কৃষক, শ্রমিক, বেকার জনগোষ্ঠী ও দেশীয় শিল্পের স্বার্থ রক্ষায় সাম্রাজ্যবাদবিরোধী আন্দোলনে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানালেন তিনি।

দুই মাসব্যাপী আন্দোলনের কর্মসূচি

সমাবেশ থেকে ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও গ্রামে গণসংযোগ, সভা-সমাবেশ, পদযাত্রা ও পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে বাণিজ্য চুক্তি ও বন্দরসংক্রান্ত উদ্যোগের বিষয়ে জনগণকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ করে গণআন্দোলন গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে জোটটির।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবিতে পৃথক জনসভা করা হবে। চট্টগ্রাম বন্দরের ইজারা চুক্তি বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে, ফুলবাড়ীতে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লাখনি নির্মাণের উদ্যোগের প্রতিবাদে দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে এবং সুন্দরবন রক্ষার দাবিতে খুলনায় জনসভা অনুষ্ঠিত হবে। এসব জনসভার তারিখ পরে ঘোষণা করা হবে।

দুই মাসের কর্মসূচি শেষে ঢাকায় কেন্দ্রীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৯ ডিসেম্বর। সমাবেশ থেকে মিছিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে যাত্রা এবং স্মারকলিপি দেওয়ার কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

জোটের ঘোষিত চার দফা দাবি হলো—যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত জাতীয় স্বার্থবিরোধী বাণিজ্য চুক্তি বাতিল; এনসিটিসহ চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল বিদেশি কোম্পানির কাছে ইজারা দেওয়ার চুক্তি বাতিল; ফুলবাড়ীতে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লাখনি ও সুন্দরবনের ভেতরে আকরাম পয়েন্টে এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ বন্ধ এবং সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন, লুণ্ঠন ও যুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণের পাশাপাশি সৌদি প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশের যোগদান না করা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category