• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৮ অপরাহ্ন
Headline
বাণিজ্য, বিনিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে মালদ্বীপের সহযোগিতা সম্প্রসারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী কাঁঠালিয়ায় মাসিক আইনশৃঙ্খলা সভা: মাদক নির্মূল ও অপরাধ দমনে জোরালো পদক্ষেপের তাগিদ রাণীনগরে গ্রাম পুলিশদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ মৌলভীবাজারে শ্রীমঙ্গলে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে মৌলভীবাজারে চাঞ্চল্যকর শাবানা হত্যা মামলায় ৪ জনের ফাঁসির রায় কাঁঠালিয়ায় ৪০ গ্রাম গাঁজা ও ৫ পিস ইয়াবাসহ বৃদ্ধ গ্রেপ্তার লগি-বৈঠার নৃশংস হত্যার বিচারের দাবিতে নওগাঁর রাণীনগরে জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল মোদি-আদানি নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র ঘিরে তোলপাড়, কী আছে তাতে প্রাথমিকে ৯৩, মাধ্যমিকের ৫৭ শতাংশ বই ছাপা শেষ, নভেম্বরে শতভাগ সরবরাহের লক্ষ্য

অস্তিত্ব হারানোর পথে আড়িয়াল খাঁ, ময়নাকাটা

শিবচর (মাদারীপুর) সংবাদদাতা / ৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬

  • মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার এক সময়ের খরস্রোতা নদ-নদীগুলো আজ চরম নাব্য সংকট, পলি ভরাট ও অবৈধ দখলের কারণে অস্তিত্বের ঝুঁকিতে পড়েছে। দীর্ঘদিন খনন না হওয়া এবং অপরিকল্পিত ভরাটের ফলে নদীগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ হারিয়ে যাচ্ছে। শুকনো মৌসুমে জেগে উঠছে বিস্তীর্ণ চর, যা স্থানীয় নৌপথ, কৃষি ও জীববৈচিত্র্যকে হুমকির মুখে ফেলেছে।

কাগজে-কলমে জেলায় ১৭টি নদ-নদী থাকলেও বর্তমানে দৃশ্যমান রয়েছে মাত্র ১০টি। শিবচরের শিরুয়াইল, নীলখী, বাঁশকান্দি, পাচ্চর ও পৌর এলাকাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে নদীগুলোর এমন করুণ দশা স্পষ্ট। শিরুয়াইল থেকে নীলখী হয়ে প্রবাহিত আড়িয়াল খাঁ নদের একটি অংশ এখন স্থানীয়ভাবে ‘মরা আড়িয়াল খাঁ’ নামে পরিচিত। পলি জমে ভরাট হওয়ায় শুকনো মৌসুমে নদীটির বিস্তীর্ণ অংশ শুকিয়ে ফসলি জমিতে পরিণত হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা রানা হামিদ বলেন, ‘আমাদের বাজারের পাশের নদীটি আড়িয়াল খাঁ নদেরই অংশ। এক সময় এটাই বড় নদী ছিল, এখন গতিপথই নেই। শুকনো মৌসুমে এখানে ফসল ফলানো হয়।’

এ বিষয়ে শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এইচ এম ইবনে মিজান বলেন, ‘উপজেলার নদী ও খালগুলো রক্ষার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। তবে বিআরএস নকশা ও পর্চা অনুযায়ী নদীটির সঠিক চিত্র পাওয়া যাচ্ছে না। প্রয়োজনীয় তথ্য-কাগজপত্র সংগ্রহ সাপেক্ষে নদী পুনরুদ্ধারে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

মাদারীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আবু সাদত মো. হাসান কবির বলেন, ‘ময়নাকাটা নদীর অনেক স্থানে দখল ও নাব্যতা সংকটে পানিপ্রবাহ বন্ধের পথে। তবে এই মুহূর্তে নদীটি খনন বা পুনরুদ্ধারের কোনো প্রকল্প আমাদের হাতে নেই। ভবিষ্যতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category