এর আগে চলতি অর্থবছরের জুলাইয়ে ৫৬ হাজার কোটি টাকা, আগস্টে ৫০ হাজার কোটি টাকা এবং সেপ্টেম্বরে সাড়ে ৪১ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিল সরকার। তবে এসব ঋণের বড় অংশ আগের বিল-বন্ডের মেয়াদপূর্তিতে পরিশোধ বা পুনঃঅর্থায়নে ব্যয় হয়।
এদিকে সরকারের ঋণের চাহিদা বাড়ায় ট্রেজারি বিলের সুদহারও বেড়েছে। ৯১ দিন মেয়াদি বিলের ইল্ড ৫ অক্টোবরের ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ২৬ অক্টোবর ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ হয়েছে।
চলতি অর্থবছরের বাজেটে ব্যাংক খাত থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত অর্থবছরে এ খাত থেকে সরকারের ঋণ ছিল ১ লাখ ৩৪ হাজার ৫৭১ কোটি টাকা।
সাবেক অর্থসচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী বলেন, কর্মচারীদের বেতন পরিশোধে বিশেষ ট্রেজারি বিল ইস্যু অর্থনীতি ও সরকারের সক্ষমতার জন্য ভালো লক্ষণ নয়। রাজস্ব আয় না বাড়িয়ে ব্যয় বাড়ালে সরকারের ঋণের বোঝা দ্রুত বাড়বে এবং বেসরকারি খাত আরো সংকুচিত হবে।
অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেনের মতে, রাজস্ব আদায় লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী না হওয়ায় সরকারকে ধারাবাহিকভাবে ঋণ নিতে হচ্ছে। মেয়াদপূর্তির ঋণ পরিশোধেও সরকারকে নতুন ঋণের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
নতুন বেতনকাঠামো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে সরকারের বার্ষিক ব্যয় প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা বাড়বে। ফলে বাড়তি ব্যয়ের চাপ সামলাতে রাজস্ব আয় বাড়ানো সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।