• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪২ পূর্বাহ্ন
Headline
নলডাঙ্গায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত, গুরুত্ব পেল জনসচেতনতা যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী মাহমুদুল আলমের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার, সেলাই মেশিন ও ক্রাচ বিতরণ সান্তাহার পৌর যুবদলের উদ্যোগে নানা আয়োজনে ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দুই বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি  বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে সুইজারল্যান্ডের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী  বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী জাপান উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

দুর্গাপূজার ছুটিতে বেনাপোল দিয়ে চার দিনে ভারতে যাতায়াত ২০ হাজারের বেশি

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি / ২৪ Time View
Update : সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬

  • শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ ও ভারতের টানা আট দিনের ছুটিতে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত বেড়েছে। চিকিৎসা, ব্যবসা ও দর্শনীয় স্থান ভ্রমণের উদ্দেশ্যে প্রতিদিনই ভারতে যাচ্ছেন অনেকে। গত চার দিনে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যাতায়াত করেছেন ২০ হাজার ৬৮৩ জন পাসপোর্টধারী।

গত ১৭ অক্টোবর শুরু হওয়া ছুটি চলবে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত। তবে যাত্রীর চাপ বাড়লেও বেনাপোল আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনালে সেবার মান নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা, যাত্রীছাউনি না থাকা, দালালদের দৌরাত্ম্য এবং বিশেষ শ্রেণির যাত্রীদের জন্য পৃথক লাইনের ব্যবস্থা না থাকায় ভোগান্তিতে পড়ছেন যাত্রীরা।

যাত্রীদের অভিযোগ, টার্মিনালে প্রবীণ নাগরিক, মুক্তিযোদ্ধা, ক্যানসারে আক্রান্ত ও গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য পৃথক লাইনের ব্যবস্থা নেই। যাত্রীছাউনি না থাকায় ভোর থেকে খোলা আকাশের নিচে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে তাঁদের। এতে ভারত ভ্রমণের শুরুতেই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

পাসপোর্টধারীদের ভাষ্য, বর্তমানে ভারত ভ্রমণে একজন যাত্রীকে এক হাজার টাকা ভ্রমণকর, ৬২ টাকা বন্দর ফি এবং ভারতীয় অংশে ৪০০ রুপি ভ্রমণকর দিতে হয়। গত পাঁচ বছরে কর ও ফি প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে বলে দাবি তাঁদের। তবে সে অনুযায়ী যাত্রীসেবার মান বাড়েনি।

পাসপোর্টধারী আনিসুর রহমান জানান, প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৬টা থেকে যাত্রী পারাপার শুরু হলেও ভিআইপি পরিচয়ে একদল যাত্রী আগে যাওয়ার সুযোগ পান। এতে একই নিয়মে সরকারি রাজস্ব পরিশোধ করেও সাধারণ যাত্রীরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ভারতগামী কয়েকজন যাত্রী জানান, পূজার ছুটিতে চিকিৎসা ও ভ্রমণের উদ্দেশ্যে তাঁরা ভারতে যাচ্ছেন। তবে দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষা এবং প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার অভাবে তাঁদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

বেনাপোল বন্দর চেকপোস্ট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দীন বলেন, ছুটিতে যাত্রীর চাপ বিবেচনায় পর্যাপ্ত যাত্রীছাউনি নির্মাণ এবং বিশেষ শ্রেণির যাত্রীদের জন্য পৃথক লাইন চালু করা প্রয়োজন। এতে যাতায়াত আরও সহজ ও স্বস্তিদায়ক হবে।

বেনাপোল বন্দরের উপপরিচালক রুহুল আমিন জানান, পূজার ছুটিতে যাত্রীদের যাতায়াত বেড়েছে। যাত্রীসেবা নিশ্চিত করা, বন্দরে জায়গা অধিগ্রহণ এবং ভোগান্তি কমিয়ে নিরাপদে পারাপারের জন্য কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category