• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩২ অপরাহ্ন
Headline
প্রাথমিকে ৯৩, মাধ্যমিকের ৫৭ শতাংশ বই ছাপা শেষ, নভেম্বরে শতভাগ সরবরাহের লক্ষ্য ৪ বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ কৃষক কার্ড দেবে সরকার ইউপি নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনে প্রার্থিতা বাতিল, সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী ডিএফওর বিরুদ্ধে অর্থ ছাড় না দেওয়ার অভিযোগ, পাঁচ মাস ধরে ভাতা বন্ধ লাউয়াছড়ার কর্মীদের তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার অস্তিত্ব হারানোর পথে আড়িয়াল খাঁ, ময়নাকাটা বিশ্ববাজারে আবার কমল জ্বালানি তেলের দাম বিদায়ের ক্ষণ গুনছেন নেতানিয়াহু নওগাঁর নিয়ামতপুরে আরডিআরএস বাংলাদেশের উদ্যোগে সাড়ে ৭ হাজার গাছের চারা বিতরণ

জুলাই সনদ পাশ কাটিয়ে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়: আলী রীয়াজ

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩৩ Time View
Update : শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬

সাবেক জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি ড. আলী রীয়াজ। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি ড. আলী রীয়াজ মনে করেন, জনগণের রায়কে উপেক্ষা করে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে ধীরগতি ও ক্ষমতাসীন দলের অনীহা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ড. আলী রীয়াজের ভাষ্য, গণভোটে নাগরিকেরা রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছেন। সেই রায় উপেক্ষা করে কিংবা সনদের অঙ্গীকার পাশ কাটিয়ে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য সংবিধানের খণ্ডিত সংশোধনের পরিবর্তে সামগ্রিক কাঠামোগত পরিবর্তন প্রয়োজন।

তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ কেবল রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতার দলিল নয়, এটি একটি জবাবদিহিমূলক, গণতান্ত্রিক ও নাগরিক অধিকার সুরক্ষিত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতায় দেশে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা, বিচার বিভাগের স্বাতন্ত্র্য এবং ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিত করা যায়নি। এসব ঘাটতি দূর করতেই রাষ্ট্র সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

সনদ স্বাক্ষরের এক বছর পরও এর বাস্তবায়নে প্রত্যাশিত অগ্রগতি না হওয়াকে দুঃখজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান প্রক্রিয়ায় সংস্কারের ক্ষেত্রে অসম্পূর্ণতা ও আইনি জটিলতার আশঙ্কা রয়েছে। সংবিধানের বিভিন্ন জায়গায় বিচ্ছিন্ন সংশোধন এনে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন সম্ভব নয়। বরং পুরো সংস্কারপ্রক্রিয়াকে একটি সমন্বিত প্যাকেজ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

আলী রীয়াজের মতে, গণভোটে জনগণের সম্মতি রাষ্ট্র সংস্কারের গুরুত্বপূর্ণ বৈধতা দিয়েছে। একই ভোটে নাগরিকেরা সরকার গঠনের পাশাপাশি সংস্কারের পক্ষেও মত দিয়েছেন। তাই সেই রায়ের একটি অংশ গ্রহণ করে অন্য অংশ উপেক্ষা করা গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষরকারী রাজনৈতিক দলগুলোর নৈতিক দায়িত্ব হলো নিজেদের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করা। জনগণের অভিপ্রায়ের প্রতি সম্মান দেখানো ছাড়া গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category