• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৪ অপরাহ্ন
Headline
প্রাথমিকে ৯৩, মাধ্যমিকের ৫৭ শতাংশ বই ছাপা শেষ, নভেম্বরে শতভাগ সরবরাহের লক্ষ্য ৪ বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ কৃষক কার্ড দেবে সরকার ইউপি নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনে প্রার্থিতা বাতিল, সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী ডিএফওর বিরুদ্ধে অর্থ ছাড় না দেওয়ার অভিযোগ, পাঁচ মাস ধরে ভাতা বন্ধ লাউয়াছড়ার কর্মীদের তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার অস্তিত্ব হারানোর পথে আড়িয়াল খাঁ, ময়নাকাটা বিশ্ববাজারে আবার কমল জ্বালানি তেলের দাম বিদায়ের ক্ষণ গুনছেন নেতানিয়াহু নওগাঁর নিয়ামতপুরে আরডিআরএস বাংলাদেশের উদ্যোগে সাড়ে ৭ হাজার গাছের চারা বিতরণ

বড়দিয়ার, তিন মোহনা নদী ভাঙ্গন রোধের আশ্বাস দিলেন নড়াইল ১ আসনের সাংসদ

  শেখ ফসিয়ার রহমান নড়াইল জেলা প্রতিনিধি / ২২ Time View
Update : শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬

নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার নড়াগাতী থানার বড়দিয়া বাজারের উত্তর পশ্চিম পাশের  নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন নড়াইল-১ আসনের সংসদ সদস্য বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম।
১৬ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১১টায় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে নিয়ে তিনি নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় বাজারের প্রবীণ ব্যবসায়ী  আইনুদ্দীন সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ভাঙনের খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে কথা বলেছেন। তাৎক্ষণিক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে কোন বরাদ্দ না থাকায় নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ৪ লাখ টাকা দিয়ে নদী ভাঙ্গন রোধের কাজ শুরু করার উদ্যোগ নিয়েছেন। বড়দিয়া রক্ষায় বাজার সংলগ্ন তিন নদীর মোহনায় স্থায়ীভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ এবং ভবিষ্যতে ওই এলাকা থেকে বালু উত্তোলনের জন্য বালু মহল  ইজারা না দেওয়ার বিষয়ে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলবেন। এ ছাড়া খুব শিঘ্রই বড়দিয়া বাজার হতে ফেরীঘাটের দক্ষিনের চোর খালি সিমানা পর্যন্ত ব্লক দিয়ে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান তিনি।
অন্যদিকে নড়াইলের উন্নয়নে ৩৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, বরাদ্দের কাজ সম্পন্ন হলে জেলার রাস্তাঘাটের বেহাল দশা থাকবে না।
পরে তিনি বড়দিয়া বাজার মন্দির ও বিভিন্ন সড়ক পরিদর্শন করেন এবং সড়কগুলো দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস দেন।
গত ১১ অক্টোবর থেকে বড়দিয়া বাজার এলাকায় ভয়াবহ নদীভাঙন শুরু হয়। তারই পরিপ্রেক্ষিতে বেশ কিছু চায়ের দোকানসহ কয়েকটি বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category