• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন
Headline
প্রাথমিকে ৯৩, মাধ্যমিকের ৫৭ শতাংশ বই ছাপা শেষ, নভেম্বরে শতভাগ সরবরাহের লক্ষ্য ৪ বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ কৃষক কার্ড দেবে সরকার ইউপি নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনে প্রার্থিতা বাতিল, সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী ডিএফওর বিরুদ্ধে অর্থ ছাড় না দেওয়ার অভিযোগ, পাঁচ মাস ধরে ভাতা বন্ধ লাউয়াছড়ার কর্মীদের তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার অস্তিত্ব হারানোর পথে আড়িয়াল খাঁ, ময়নাকাটা বিশ্ববাজারে আবার কমল জ্বালানি তেলের দাম বিদায়ের ক্ষণ গুনছেন নেতানিয়াহু নওগাঁর নিয়ামতপুরে আরডিআরএস বাংলাদেশের উদ্যোগে সাড়ে ৭ হাজার গাছের চারা বিতরণ

কাদের মির্জা ও তার স্ত্রী-ছেলের বিরুদ্ধে দুদকের তিন মামলা

নোয়াখালী প্রতিনিধি / ২৯ Time View
Update : বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬

ছবি: সংগৃহীত

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র আবদুল কাদের মির্জা, তার স্ত্রী আখতার জাহান বকুল ও ছেলে মির্জা মাশরুর কাদের তাশিকের নামে ৩ কোটি ৫২ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের সন্ধান পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ ঘটনায় তাদের আসামি করে তিনটি মামলা করেছে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালী জেলা জজ আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ ইদ্রিস। তিনি জানান, সোমবার বিকেলে দুদকের নোয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক চিন্ময় চক্রবর্তী বাদী হয়ে মামলাগুলো করেন। মঙ্গলবার সকালে আদালতে মামলার কপি দেওয়া হয়।

আবদুল কাদের মির্জা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি। তিনি দলটির সাধারণ সম্পাদক ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই।

দুদক সূত্রে জানা যায়, আবদুল কাদের মির্জার নামে ১ কোটি ১৯ লাখ ৯৬ হাজার ৯৫০ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। তার স্ত্রী আখতার জাহান বকুলের নামে স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে ১ কোটি ৫০ লাখ ৮৩ হাজার ৪০০ টাকার অবৈধ সম্পদের তথ্য মিলেছে। এ ছাড়া তাদের ছেলে মির্জা মাশরুর কাদের তাশিকের নামে ৮১ লাখ ৭৩ হাজার ৭৪৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের সন্ধান পেয়েছে দুদক।

দুদকের সূত্রে আরও জানা যায়, ১৯৯৯ থেকে ২০০১ সাল এবং ২০১১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বসুরহাট পৌরসভার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় ক্ষমতার অপব্যবহার করে সম্পদ অর্জন করেন আবদুল কাদের মির্জা। অন্যদিকে, তার স্ত্রী গৃহিণী এবং বৈধ আয়ের কোনো উৎস না থাকা সত্ত্বেও তার নামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।

অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা ও মামলার বাদী চিন্ময় চক্রবর্তী বলেন, কমিশনের অনুমোদনের পর তিনটি মামলা করা হয়েছে। তদন্তে এ ঘটনার সঙ্গে অন্য কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category