• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৪ অপরাহ্ন
Headline
প্রাথমিকে ৯৩, মাধ্যমিকের ৫৭ শতাংশ বই ছাপা শেষ, নভেম্বরে শতভাগ সরবরাহের লক্ষ্য ৪ বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ কৃষক কার্ড দেবে সরকার ইউপি নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনে প্রার্থিতা বাতিল, সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী ডিএফওর বিরুদ্ধে অর্থ ছাড় না দেওয়ার অভিযোগ, পাঁচ মাস ধরে ভাতা বন্ধ লাউয়াছড়ার কর্মীদের তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার অস্তিত্ব হারানোর পথে আড়িয়াল খাঁ, ময়নাকাটা বিশ্ববাজারে আবার কমল জ্বালানি তেলের দাম বিদায়ের ক্ষণ গুনছেন নেতানিয়াহু নওগাঁর নিয়ামতপুরে আরডিআরএস বাংলাদেশের উদ্যোগে সাড়ে ৭ হাজার গাছের চারা বিতরণ

দিল্লিতে নারী বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা, হিন্দু রক্ষা দলের ৪ জন গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ২৪ Time View
Update : রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ চলাকালে নারী আন্দোলনকারী ও শিক্ষার্থীদের হেনস্তা এবং মারধরের অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্তরা হিন্দু রক্ষা দলের সদস্য বলে পরিচয় দিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার দিল্লির দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গে (ডিডিইউ মার্গ) এ ঘটনা ঘটে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে মারধর এবং নারীদের ধাক্কা দেওয়া ও শারীরিকভাবে হেনস্তা করতে দেখা যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন রমন সাইনি (৫০), বিবেকানন্দ ওরফে বিবেক (৩২), কপিল কুমার (২৭) এবং রবীন্দ্র সিং ওরফে গোবিন্দ (৩৫)।

ভিডিও দেখে তদন্ত শুরু পুলিশের

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি নিয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ জমা পড়েনি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি পুলিশের নজরে আসার পর স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে তদন্ত শুরু করা হয়।

অভিযুক্তরা দিল্লি ও জাতীয় রাজধানী অঞ্চল (এনসিআর) ছেড়ে পালিয়ে যেতে পারেন—এমন তথ্য পাওয়ার পর তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তৎপরতা শুরু করে পুলিশ। এ ঘটনায় আর কেউ জড়িত কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে একজন পুলিশ সদস্যের উপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অসন্তোষ থেকে এই বিক্ষোভের সূত্রপাত। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) পক্ষ থেকে এ প্রতিবাদের আয়োজন করা হয়।

শনিবারের ওই কর্মসূচিতে ব্যাপক ধরপাকড়ের ঘটনাও ঘটে। এর মধ্যেই নারী আন্দোলনকারী ও শিক্ষার্থীদের হেনস্তা এবং মারধরের ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে। পাশাপাশি বিক্ষোভস্থলে নারীদের হেনস্তার ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত ছিলেন কি না এবং দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যের ভূমিকা কী ছিল, তা-ও তদন্তের আওতায় রয়েছে।

সূত্র: এই সময়


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category